ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » বাংলাদেশে মারুবেনির নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ

বাংলাদেশে মারুবেনির নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্রুত শিল্পায়ন, আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির সফল স্থানান্তর এবং ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং ব্যবসা পরিচালনার সার্বিক পরিবেশ সহজীকরণে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জাপানের অন্যতম প্রধান বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘মারুবেনি করপোরেশন’-এর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাইউকি ওমোতোর নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আয়োজিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বৈঠকে মারুবেনি করপোরেশনের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে তাঁদের বিদ্যমান বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি সার উৎপাদন, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), জ্বালানি, জাহাজ পুনর্ব্যবহার এবং বিখ্যাত টয়োটা ব্রান্ডের গাড়ি অ্যাসেম্বলিং ও উৎপাদনের মতো নতুন খাতে বড় অঙ্কের যৌথ বিনিয়োগের জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করে।

বৈঠককালে বাংলাদেশ-জাপান সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষর ও দ্রুত বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি পাটশিল্পের বহুমুখীকরণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “বাংলাদেশের উৎপাদনমুখী শিল্পের বিকাশে জাপানের উন্নত প্রযুক্তি ও মূলধনি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাহাজ পুনর্নবীকরণ, অটোমোবাইল, উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্প ও পাটজাত পণ্যে তুলা বা পলিয়েস্টার মিশ্রিত করে নতুন বিশ্বমানের পণ্য তৈরিতে আমরা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির সুবিধা নিতে চাই। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের মূলধন ও অর্জিত মুনাফা সহজে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করছে সরকার।”

মারুবেনি করপোরেশনের সিইও মাসাইউকি ওমোতো বাংলাদেশে কাফকোর আধুনিকায়ন, ডিএপি ও টিএসপি সারের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্যাসের কার্যকর ব্যবহারের বিষয়ে তাঁদের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, তাঁদের যৌথ বিনিয়োগের আইটি প্রতিষ্ঠান বিজেআইটিতে শত শত বাংলাদেশি প্রকৌশলী কাজ করছেন, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অফশোরিং খাতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার বিকল্প সমাধান হিসেবে ‘ক্ষুদ্র মডিউলার পারমাণবিক চুল্লি’ (এসএমআর) প্রযুক্তি স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে