আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগিতায় ইরান থেকে আসা অস্তিত্বের হুমকি চিরতরে দূর করার এক ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় চরম দুর্বল এবং ইসরায়েল আগের চেয়েও শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে।
নির্বাচনের পর দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানান, ইসরায়েলে একটি শক্তিশালী, জাতীয়তাবাদী ও ডানপন্থি সরকার গঠন করা অপরিহার্য। দেশের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এ ধরনের সরকারের কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই একটি শক্তিশালী, জাতীয় ও ডানপন্থি সরকার গঠন করতে হবে।”
নির্বাচনে তাঁর দল লিকুদ বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে দাবি করে নেতানিয়াহু বলেন, ইহুদি ও জাতীয়তাবাদী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সরকার গঠনে আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল কোনো জোটকে তিনি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি জানান, মোহাম্মদ দেইফ, ইসমাইল হানিয়াহ, ইয়াহিয়া সিনওয়ার, হাসান নাসরুল্লাহ ও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মতো শত্রুদের প্রতিহত করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বদলে দেওয়া হয়েছে।
তবে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগেই লিকুদকে বৃহত্তম শক্তি দাবি করে তিনি বলেন, ডানপন্থি ব্লকের হাতেই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় এবং আরব দলগুলো বড় ভূমিকা রাখায় লিকুদ পার্টি তাদের বিরুদ্ধে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছে। তবে ১২০ সদস্যের নেসেটে কোনো পক্ষই এককভাবে প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
