ফ্লোরিয়ান থোভিনের প্রথমার্ধের একমাত্র গোলে প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফরাসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা জিতেছে দশ জনের লঁস। এর ফলে মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় ট্রফি জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হলো পিএসজির।
নতুন কোচ দিনো টপমোলারের অধীনে এটিই লঁসের প্রথম ম্যাচ। এর আগে গত মে মাসে পিয়ের সাগের অধীনে ফ্রেঞ্চ কাপ জিতেছিল তারা।
গত বুধবার ইউয়েফা সুপার কাপে অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়েছিল পিএসজি। তবে লঁসের স্তাদ বোলায়ার্ট-দেলেলিস স্টেডিয়ামে নিজেদের ছন্দ খুঁজে পেতে লড়াই করতে হয়েছে তাদের, যদিও প্রথমার্ধেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল লঁসের সেন্টার-ব্যাক কিলিয়ান আন্তোনিওকে।
পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে ম্যাচ শেষে বলেন, ‘মনে হয় আমরা আরও বেশি কিছু প্রাপ্য ছিলাম। তবে লঁসকে অভিনন্দন জানাই, তারা জিতেছে এবং তারা খুব ভালো খেলেছে… আমরাও একটি খুব ভালো ম্যাচ খেলেছি, কিন্তু আমাদের ভাগ্যের সাহায্য প্রয়োজন ছিল, যা আমরা পাইনি।’
রোববার রাতে ম্যাচের শুরু থেকে বলের দখল পিএসজির পায়ে বেশি থাকলেও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয় তারা। ৩২ মিনিটে মাথিও উদলের ক্রস থেকে বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয় পিএসজি ডিফেন্ডাররা, সুযোগ বুঝে দূরের পোস্টে শট নিয়ে লঁসকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ফ্লোরিয়ান থোভিন।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ছয় মিনিট আগে মাঘনেস আক্লিওচকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লঁসের কিলিয়ান আন্তোনিও। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া লঁসের বিপক্ষে সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ পায় পিএসজি। কিন্তু দুরূহ কোণ থেকে দুয়ের নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে পারেনি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। বদলি হিসেবে নামা নুনো মেন্ডেস দূরপাল্লার একটি শট নিলেও তা বারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের শেষ দিকে পিএসজিও ১০ জনের দলে পরিণত হয়। লঁসের মিচাল স্কোরাসকে কনুইয়ের আঘাত করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন পিএসজির ডিফেন্ডার নুনো মেন্ডেস।
আগামী সপ্তাহে নিজেদের মাঠেই রেনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে লিগ ওয়ান শিরোপা রক্ষা মিশন শুরু করবে পিএসজি। তবে ওই ম্যাচে লাল কার্ডের কারণে খেলতে পারবেন না পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো মেন্ডেস।
