ঢাকা
ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
Home » সর্বশেষ » ছিনতাইকারীরা ব্যাগ টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, ৪দিন পরে মৃত্যু

ছিনতাইকারীরা ব্যাগ টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, ৪দিন পরে মৃত্যু

নবপ্রকাশ ডেস্কঃ
বাস থেকে নেমে রিকশায় চড়ে একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সোহেলি ইসলাম (৪২)। পাশ দিয়ে একটি মোটরসাইকেলে মাথায় হেলমেট পরা দুই ছিনতাইকারী যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ব্যক্তি আচমকা সোহেলির হাতে প্যাঁচানো ভ্যানিটি ব্যাগ ধরে টানাহেঁচড়া শুরু করে। একপর্যায়ে চলন্ত রিকশা থেকে পড়ে যান সোহেলি। এতে ভেঙে যায় ডান হাত, মাথার পেছনে গুরুতর আঘাত পান। কান দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করে। এরপর স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় মাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন মেয়ে।
গত রোববার সকাল সোয়া ছয়টায় ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
সোহেলির বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায়। তিনি এসকেএফ ওষুধ কোম্পানিতে মেডিক্যাল সার্ভিস অফিসার পদে চাকরি করতেন। ঢাকার ধানমন্ডির গ্রীন রোড–সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। বৃহষ্পতিবার সকালে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। বিকেলে নানাবাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিম টেংরী এলাকায় তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। সোহেলির মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন একমাত্র মেয়ে। তিনি স্নাতকের শিক্ষার্থী।
সোহেলির মামাতো ভাই সারওয়ার পারভেজ বলেন, কয়েক দিন আগে পার্বতীপুরে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মেয়েসহ এসেছিলেন সোহেলি। অনুষ্ঠান শেষে গত শনিবার (৬ জুন) রাত ৯টার বাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। রোববার ভোর পাঁচটায় গাবতলী এলাকায় নেমে কাউন্টারে অপেক্ষা করছিলেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর রিকশা নিয়ে বাসার উদ্দেশে রওনা হন। সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গেট পার হয়ে ছিনতাইকারীর আক্রমণের শিকার হন।

সোহেলির বোনের স্বামী তরিকুল ইসলাম বলেন, রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে সোহেলির মাথার পেছনের অংশ ফেটে যায়। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। অনেকের কাছে সাহায্য চেয়েছেন। প্রথমে কেউ এগিয়ে আসছিলেন না। পরে রিকশাচালকসহ একজনের সহায়তায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কথা বলতে পারছিলেন না, শুধু গোঙাচ্ছিলেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা করা হয়নি। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে