এক অসাধারণ ব্যাকহিল গোলে ম্যানচেস্টার সিটি চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে এফএ কাপের শিরোপা জয় করেছে। এটি সিটির ইতিহাসে অষ্টম এফএ কাপ শিরোপা। গত দুই ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে হারের পর এবার ঘুরে দাঁড়াল পেপ গার্দিওলার দল।
৭২তম মিনিটে এরলিং হালান্ডের দুর্দান্ত ক্রসে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসাধারণ ব্যাকহিলে গোল করেন সেমেনিয়ো। মাত্র ০.০৯ এক্সজি’র এই গোলটিকে অনেকেই ‘গোলাজো’ হিসেবে অভিহিত করছেন। এটি ছিল সিটির জার্সিতে সেমেনিয়োর ১০ম গোল এবং এফএ কাপ ফাইনালে প্রথম কোনো ঘানাইয়ান ফুটবলারের গোল।

ম্যাচের সারসংক্ষেপ
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করে সিটি। প্রথমার্ধে মারমুশ, হালান্ডসহ একাধিকবার সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। চেলসি জোয়াও পেড্রোর ব্যক্তিগত দক্ষতায় কয়েকবার আক্রমণ করলেও তেমন ভয়ংকর হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলা আরও উন্মুক্ত হয়। সেমেনিয়ো ও রদ্রির হেডারের সুযোগের পর ৭২ মিনিটে আসে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। হালান্ডের ক্রসে সেমেনিয়োর অবিশ্বাস্য ব্যাকহিল গোল সিটিকে এগিয়ে দেয়।
চেলসি সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও এনজো ফার্নান্দেজের শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। একাধিকবার পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি দেননি। শেষ মুহূর্তে হালান্ড চেরকির কাছ থেকে বল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ঐতিহাসিক মাইলফলক
এটি বার্নার্দো সিলভার ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে শেষ শিরোপা।
পেপ গার্দিওলার সিটির হয়ে ১৯তম এবং ক্যারিয়ারের ৪১তম ট্রফি।
হালান্ডের এই অ্যাসিস্ট তার সিটির হয়ে প্রথম ফাইনালে গোল অবদান (অপটার তথ্য অনুসারে)।
ম্যাচে রদ্রি গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে সিটিকে বাঁচান এবং একাধিকবার ভিএআর চেকের পরও চেলসির পেনাল্টির আবেদন নাকচ হয়।
এই জয়ের মাধ্যমে ম্যানচেস্টার সিটি আবারও প্রমাণ করল যে, বড় ম্যাচে তারা এখনও অপরাজেয়। বিশেষ করে সেমেনিয়োর অবিস্মরণীয় ব্যাকহিল গোলটি দীর্ঘদিন ফুটবলপ্রেমীদের মনে থাকবে।
