ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ: বিশ্বব্যাংকের সাথে আলোচনা চলছে

অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ: বিশ্বব্যাংকের সাথে আলোচনা চলছে

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং জ্বালানি ও আমদানি ব্যয় মেটানোর সংকট উত্তরণে বিশ্বব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ও চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের একটি ফলপ্রসূ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু বলেন, “বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্ট কোনো চুক্তি বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে না; এটি একটি ধারাবাহিক আলোচনা। আজকের আলোচনার ভিত্তিতে একটি কার্যকর ফলোআপ বা পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া, যা আগামী কয়েক মাস ধরে চলবে।” তিনি জানান, ব্যাংককের এই আলোচনার পর এ নিয়ে ঢাকায় সরকারি পর্যায়েও ধারাবাহিক আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। পূর্ববর্তী সরকারের বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের বোঝা টানার পাশাপাশি বৈশ্বিক নানা সংকট ও যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বিপর্যয়ও সরকারকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের এই বাস্তব পরিস্থিতি গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারছে।

অর্থনৈতিক নীতিমালার সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সহমর্মিতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক নীতি, সংস্কার কর্মসূচি এবং মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের পুরোপুরি সমঝোতা রয়েছে। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আমরা যে রূপরেখা গ্রহণ করেছি, তার সঙ্গে সংস্থাটি একমত এবং তারা বাংলাদেশের পাশে থাকতে অত্যন্ত আগ্রহী।”

বৈঠকে অংশীদারত্বের নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছিল। যার বিপরীতে বিশ্বব্যাংক তাদের বিভিন্ন সুপারিশ ও পরামর্শ দিয়েছে এবং বাংলাদেশও নিজস্ব অবস্থান ও প্রস্তাবগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।

এ সময় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আর্থিক সংস্থা ও দাতা সংস্থার মূল্যস্ফীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, সরকার অন্য কোনো সংস্থার প্রক্ষেপণকে বিতর্কিত করতে চায় না। বিভিন্ন সংস্থা তাদের নিজস্ব গাণিতিক হিসাব ও তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রাক্কলন করে থাকে। তবে সরকার জাতীয় বাজেটে নির্ধারিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত প্রক্ষেপণগুলো সফলভাবে পূরণ করতে পারবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে