ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » ব্যাট হাতে মন্থর গতি: আফগানিস্তানের বড় চিন্তায় ডট বল

ব্যাট হাতে মন্থর গতি: আফগানিস্তানের বড় চিন্তায় ডট বল

বিশ্ব ক্রিকেটে বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে রোমাঞ্চকর দল হিসেবেই ধরা হয় আফগানিস্তানকে। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং-বোলিংয়ে সাম্প্রতিক সময়ে প্রায়ই চমক দেখিয়েছে তারা। তবে সেই দলটিই এবার ভুগছে স্ট্রাইক রেট ও ডট বলের সমস্যায়।

ভারতের বিপক্ষে চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে একদমই সুবিধা করতে পারেনি আফগান দল। দিল্লিতে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেটে ১৫৬ ও দ্বিতীয়টিতে ৮ উইকেটে ১৫৯ রানের বেশি করতে পারেনি ইব্রাহিম জাদরানের নেতৃত্বাধীন দল।

একই উইকেটে প্রথম ম্যাচে ১৩.৪ ওভার ও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৪.৫ ওভারে জিতে গেছে ভারত। দুই ম্যাচের একটিতেও জ্বলে উঠতে পারেনি আফগানিস্তানের শুরুর ব্যাটাররা। শেষ দিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খানদের চেষ্টায় মেলে লড়াইয়ের পুঁজি।

তবে সেই পুঁজি যে কোনোভাবেই যথেষ্ট ছিল না, তা প্রমাণ হয়ে যায় ভারতের ইনিংসেই। আর এর পেছনে বড় কারণ ছিল আফগানিস্তানের অতিরিক্ত ডট বল খেলার প্রবণতা। একইসঙ্গে স্ট্রাইক রেট নিয়েও দুশ্চিন্তা আফগান শিবিরে।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৪১.৬ শতাংশ ডট বল খেলে আফগানিস্তান। তাদের রান রেট ছিল মোটে ৭.৯৫। বিপরীতে ৩২.৯ শতাংশ ডট বল খেলা ভারত রান তোলে ওভারপ্রতি ১১.৪৮ করে। ম্যাচ শেষে এই দুই সমস্যার কথাই বলেন আফগান হেড কোচ রিচার্ড পাইবাস।

“দলের মধ্যে আমাদের আলাপটা হয় মূলত, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আমরা যদি ভালো করতে চাই, তাহলে স্ট্রাইক রেট অবশ্যই উন্নতি করতে হবে। আমাদের ডট বল খেলার হার অনেক বেশি। একইসঙ্গে স্ট্রাইক রেটও বাড়াতে হবে।”

সিরিজটি দিল্লিতে হলেও, কাগজে-কলমে স্বাগতিক দল আফগানিস্তান। তবে নিজেদের দেশে হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই উইকেট-কন্ডিশনের বাড়তি সুবিধা ভারতই পাচ্ছে। সেই কথাও মনে করিয়ে দিলেন পাইবাস।

“পুরো আইপিএল জুড়ে তারা (ভারত) এসব উইকেটে খেলে বেড়ায়। তারা জানে এমন উইকেটে কীভাবে খেলতে হয়। এখানে খেলেই তারা এগিয়েছে। আমাদের জন্য বিষয়টা হলো, আফগানিস্তানে এমন মানসম্পন্ন উইকেট আমরা পাই না।”

আফগানিস্তান কোচের মতে, ঘরের মাঠে বোলিং সহায়ক উইকেটের কারণে টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ে বড় প্রভাব পড়ছে।

“ভারতীয় দলের গভীরতা ও দলের বিভিন্ন পজিশনের জন্য তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। আফগানিস্তানেরও বেশ কিছু প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসছে। তবে ভারতের মতো এত প্লেয়ার পুল আমাদের নেই। মূল বিষয়টি হলো খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করা।”

“টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাওয়ার প্লেতে আফগানিস্তানের সাধারণত গড় স্কোর ১ উইকেটে ৪৫ রান। তাই খেলার এমনভাবে উন্নতি করতে হবে যাতে পাওয়ার প্লেতে আমাদের স্ট্রাইক পাওয়ার ভারতের মানে পৌঁছাতে পারে ও তা ধরে রাখতে পারি… আগামী ১২ মাসের মধ্যে আমাদের এই বিষয়গুলো নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে