ঘোর বিপাকে পড়া ফিফা সভপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর থেকে সমর্থন মুহূর্তের মধ্যেই কমে আসছে। তা সত্ত্বেও, কাতার ও শ্রীলঙ্কাসহ হাতেগোনা কয়েকটি দেশ নাকি ফিফা সভাপতি হিসেবে তাকে পুনর্বিনাচিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।বিশ্বকাপের মতো বড় বড় টুর্নামেন্টের অল্প কিছু শেয়ার বা স্বত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার একটি পরিকল্পনা করেছিলেন ইনফান্তিনো। তবে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই গত কয়েক দিন ধরে তার নেতৃত্ব নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে।
ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) জানিয়েছে, ‘ফিফা যেন বিশ্ব ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদী উন্নতি ও সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং সব ২১-টি সদস্য দেশের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পরিচালিত হয়—তা নিশ্চিত করতে এখন তাদের নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক কাঠামোর একটি পূর্ণাঙ্গ ও কঠোর পর্যালোচনার সময় এসেছে।’
ওয়েলস, সার্বিয়া, সুইডেন, ফিনল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডসহ অনেকগুলো দেশই ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনোর ওপর থেকে তাদের সমর্থন তুলে নিয়েছে। তা সত্ত্বেও ছয়টি দেশ ফিফা সভাপতি হিসেবে তাকে পুনরায় নির্বাচিত করার পক্ষে সমর্থন জোগাচ্ছে।
‘দ্য অ্যাথলেটিক’-এর অ্যাডাম ক্রাফটনের মতে—ভুটান, শ্রীলঙ্কা, লেবানন ও কুয়েতের পাশাপাশি কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত হলো ইনফান্তিনোকে সমর্থন দেওয়া বড় দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।ছাড়া মরক্কো ও মিসরসহ আফ্রিকা এবং এশিয়ার বেশ কয়েকটি ফুটবল ফেডারেশনও ইনফান্তিনোর পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আগামী বছর মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনেই জানা যাবে তিনি পুনরায় সভাপতি হচ্ছেন কি না।
নতুন সভাপতি নির্বাচনের জন্য ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের প্রত্যেকটি গোপন ব্যালটে একটি করে ভোট দেয়।
ফিফার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রার্থীরা যখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তখন জয়ের জন্য মোট ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি পাওয়া প্রয়োজন। অর্থাৎ, জয় নিশ্চিত করতে হলে ২১১টি অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে অন্তত ১০৬টি ভোটের প্রয়োজন পড়ে।
