মঙ্গলবার এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন।
তার আইনজীবী এক প্রিজন ভ্যানে কেবল তাকে আনার বদলে অন্য আসামিদের সঙ্গে আনা-নেওয়ার আবেদন করেন। ওই দিন ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে বিচারকদের কাছে নিজের বক্তব্যও তুলে ধরেন জিয়াউল আহসান। তবে প্রসিকিউশন তার নিরাপত্তার বিষয়ে একমত হলেও অন্য আসামিদের সঙ্গে একই ভ্যানে আনার আবেদনে আপত্তি জানান।
মঙ্গলবার সেই আবেদন মঞ্জুর হওয়ার কথা জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গাজী এম এইচ তামীম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে থেকে জিয়াউল আহসানকে জেলখানায় রেখে ভার্চুয়ালি ট্রাইব্যুনালে অ্যাপিয়ার করে মামলা পরিচালিত হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছি।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে জিয়াউল আহসানকে প্রিজন ভ্যানে একাই আনা হচ্ছিল। সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুম-খুনের অভিযোগের পাশাপাশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনেরও মামলা রয়েছে।
