ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ০৯ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
Home » সর্বশেষ » সোজা কথায় আসল গ্রাহক: গুগলের নতুন নিয়মে ফাঁকিবাজির দিন শেষ

সোজা কথায় আসল গ্রাহক: গুগলের নতুন নিয়মে ফাঁকিবাজির দিন শেষ

অনলাইনে ভুয়া ও গোপন প্রণোদনামূলক পর্যালোচনার (Incentivized Reviews) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে নীতিমালায় বড় পরিবর্তন এনেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভুয়া রিভিউ বা আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে ইতিবাচক মন্তব্য প্রচার করলে প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ও প্রোফাইলে সরাসরি ‘ম্যানুয়াল অ্যাকশন’ বা প্রশাসনিক শাস্তি প্রয়োগ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

গুগল বরাবরই ব্যবহারকারীদের জন্য সেরা এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর। যখন আমরা কোনো পণ্য বা সেবার রিভিউ খুঁজি, তখন আমাদের প্রত্যাশা থাকে একটি নিরপেক্ষ, সৎ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লেখা পর্যালোচনা খুঁজে পাব। কিন্তু বাস্তবতা প্রায়ই ভিন্ন হয়। অনেক সময় দেখা যায়, কিছু অসাধু চক্র টাকার বিনিময়ে বা অন্য কোনো সুবিধার লোভে ভুয়া রিভিউ তৈরি করে, অথবা কোনো পণ্য ব্যবহার না করেই প্রশংসা লিখে দেয়। আবার কখনো দেখা যায়, রিভিউ লিখলে কোনো ডিসকাউন্ট বা ফ্রি পণ্য পাওয়ার অফার দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিষয়টি কোথাও পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ ব্যবহারকারী বিভ্রান্ত হন, ভুল সিদ্ধান্ত নেন, সব মিলিয়ে ইন্টারনেটের তথ্যের ওপর আস্থা হারাতে শুরু করেন।

গুগলের নতুন পদক্ষেপটি এই সমস্যার মূলে আঘাত হানার জন্যই নেওয়া হয়েছে। তারা স্পষ্ট করে দিতে চাইছেন, অনলাইনে তথ্যের স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা কতটা জরুরি। এই আপডেটগুলো মূলত গুগলের রিভিউ স্নিপেট সংক্রান্ত ডকুমেন্টেশনে যুক্ত করা হয়েছে কিন্তু এর প্রভাব পড়বে সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রিভিউ কনটেন্টের ওপর। এর মানে হলো, আপনার ওয়েবসাইটে রিভিউ রিচ রেজাল্টস দেখানোর যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, নিয়মগুলো আপনাকে মানতেই হবে। না মানলে কপালে দুঃখ আছে! নতুন নীতিমালায় গুগল মূলত তিনটি বিষয়কে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এগুলো রিভিউ কনটেন্টের সত্যতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি। চলুন, দেখে নেওয়া যাক সেই নতুন নিয়ম:

ভুয়া বা নকল রিভিউ নয়

প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা হলো, আপনার ওয়েবসাইটে বা আপনার স্ট্রাকচার্ড ডেটা মার্কআপে কোনো ভুয়া রিভিউ যোগ করা যাবে না। এর অর্থ পরিষ্কার, যে রিভিউগুলো কোনো পণ্য বা সেবার প্রকৃত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লেখা হয়নি, সেগুলোকে গুগল ভুয়া হিসেবে গণ্য করবে। আপনি হয়তো ভাবছেন, ভুয়া রিভিউ মানে কী? মানে হলো, একজন ব্যক্তি হয়তো জীবনে কোনোদিন ওই পণ্য ব্যবহারই করেননি, কিন্তু আপনি তাকে দিয়ে প্রশংসা লিখিয়ে নিয়েছেন। অথবা একজন ব্যবহারকারী হয়তো একটা নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন, কিন্তু আপনি সেটিকে বাড়িয়ে-চড়িয়ে বা বিকৃত করে উপস্থাপন করেছেন। এমনকি সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি রিভিউও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে। গুগল চায় মানুষ সত্য কথা বলুক, যা দেখেছে বা অনুভব করেছে, সেটাই লিখুক। কোনো রকম মিথ্যাচার বরদাস্ত করা হবে না।

অপ্রকাশিত প্রণোদনার মাধ্যমে লেখা রিভিউ নয়

দ্বিতীয় নিষেধাজ্ঞাটি হলো, এমন কোনো রিভিউ প্রকাশ করা যাবে না, যা কোনো সুবিধা (যেমন- টাকা, ডিসকাউন্ট, ভাউচার বা বিনামূল্যে পণ্য) পাওয়ার বিনিময়ে লেখা হয়েছে এবং সেই সুবিধার কথা পরিষ্কারভাবে ও সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। ব্যাপারটা একটু জটিল, তাই সহজ করে বলি। ধরুন, আপনি আপনার নতুন মোবাইল ফোনটির রিভিউ লিখেছেন এবং বিনিময়ে দোকান থেকে একটি হেডফোন ফ্রি পেয়েছেন। এখানে সমস্যা নেই, যদি আপনি আপনার রিভিউয়ের শুরুতেই বা শেষে পরিষ্কারভাবে লিখে দেন যে, রিভিউটি লেখার জন্য আমি একটি বিনামূল্যে হেডফোন পেয়েছি। কিন্তু যদি আপনি এই সুবিধার কথা গোপন রাখেন, তাহলেই বিপদ! গুগল চায়, একজন পাঠক জানুক যে রিভিউ লেখকের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ আছে কি না। যদি থাকে, সেটা তাকে জানাতে হবে। কোনো লুকোচুরি করা যাবে না।

প্রকৃত অভিজ্ঞতার ওপর জোর

এই দুটি নিষেধাজ্ঞা আসলে একটি মূল বিষয়েরই সম্প্রসারণ—পর্যালোচনাগুলো অবশ্যই প্রকৃত অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। গুগল চায়, একজন ব্যবহারকারী যখন কোনো রিভিউ পড়েন; তখন তিনি যেন নিশ্চিন্ত থাকেন যে লেখাটি একজন সত্যিকারের মানুষের সত্যিকারের অনুভূতির প্রতিফলন। এতে ব্যবহারকারীর আত্মবিশ্বাস বাড়ে, আর তিনি স্বচ্ছতার সাথে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

তিনটি নিষেধাজ্ঞা আসলে গুগলের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিরই একটি অংশ। তারা চায় তাদের সার্চ রেজাল্টে এমন কনটেন্ট থাকুক, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্যিকার অর্থেই সহায়ক, বিশ্বাসযোগ্য এবং উচ্চমানের। এক্সপার্টাইজ, এক্সপেরিয়েন্স, অথরিটেটিভনেস এবং ট্রাস্টওয়ার্দিনেস বা সংক্ষেপে ই-ই-এ-টি–এই চারটি স্তম্ভের ওপর গুগল তাদের কনটেন্ট মূল্যায়নের ভিত্তি স্থাপন করেছে। আর এই নতুন রিভিউ নীতিমালা সেই ই-ই-এ-টি ফ্রেমওয়ার্ককেই আরও শক্তিশালী করছে, বিশেষ করে বিশ্বাসযোগ্যতার দিকটিতে।

ম্যানুয়াল অ্যাকশনের ভয়াল থাবা!

গুগল শুধু নিয়ম পাল্টেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা এর লঙ্ঘনের জন্য কঠোর পরিণতির কথাও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে। তাদের ডকুমেন্টেশনে একটি কড়া সতর্কবার্তা যোগ করা হয়েছে: ‘সতর্কতা: যদি আপনার সাইট এই নির্দেশিকাগুলোর এক বা একাধিক লঙ্ঘন করে, তাহলে গুগল এর বিরুদ্ধে ম্যানুয়াল অ্যাকশন নিতে পারে। একবার সমস্যাটি সমাধান হয়ে গেলে, আপনি আপনার সাইটকে পুনঃবিবেচনার জন্য জমা দিতে পারবেন।’

ম্যানুয়াল অ্যাকশন মানে কী, যারা ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করেন তারা ভালো করেই জানেন। এটি আসলে গুগলের পক্ষ থেকে একটি সরাসরি শাস্তি। এর ফলে আপনার ওয়েবসাইটের সার্চ র‍্যাঙ্কিং ধপাস করে নিচে নেমে যেতে পারে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অদৃশ্যও হয়ে যেতে পারে। ট্র্যাফিক কমে যাবে, আয় বন্ধ হয়ে যাবে, আর আপনার এতদিনের পরিশ্রমে গড়া ওয়েবসাইটটি হঠাৎ করেই গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাবে। আর একবার ম্যানুয়াল অ্যাকশন হলে, সেটি সরাতে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়। আপনাকে প্রতিটি লঙ্ঘন খুঁজে বের করে ঠিক করতে হবে, তারপর গুগলকে বোঝাতে হবে যে আপনি সব নিয়ম মেনে চলেছেন। এটি একটি দীর্ঘ এবং ক্লান্তিকর প্রক্রিয়া।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে, ম্যানুয়াল অ্যাকশন থেকে বাঁচতে হলে প্রথম থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। একবার অ্যাকশন হয়ে গেলে সেই ক্ষতি পূরণ করা বেশ কঠিন। তাই এই নতুন নিয়মগুলো হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

কেন এই পরিবর্তন

এই আপডেটের পেছনে গুগলের মূল উদ্দেশ্য কী, তা তাদের চেঞ্জলগে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: ‘ব্যবহারকারী রিভিউয়ের স্বচ্ছতা উন্নত করতে।’ এর মানে দাঁড়ায়, গুগল চায় না কোনো পাঠক ভুল তথ্যের ভিত্তিতে কোনো পণ্য কিনুক বা কোনো পরিষেবা গ্রহণ করুক। তারা চায় প্রতিটি রিভিউই যেন আয়নার মতো স্বচ্ছ হয়, যেখানে সত্যের প্রতিচ্ছবি ছাড়া আর কিছুই দেখা না যায়।

পরিবর্তনটি হঠাৎ করে আসেনি। গুগল দীর্ঘদিন ধরে কনটেন্টের মান নিয়ে কাজ করছে। তাদের রিভিউজ সিস্টেম নামক একটি অ্যালগরিদম আছে, যা বিশেষভাবে রিভিউ কনটেন্টের মান যাচাই করে। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি: গুগলের রিভিউজ সিস্টেম মূলত প্রথম পক্ষের স্বতন্ত্র রিভিউ কনটেন্ট, যেমন–ব্লগ পোস্ট, আর্টিকেল বা এমন পৃষ্ঠাগুলোকে মূল্যায়ন করে, যা কোনো পণ্য বা পরিষেবা সম্পর্কে সুপারিশ, মতামত বা বিশ্লেষণ প্রদান করে। এটি সরাসরি তৃতীয় পক্ষের ব্যবহারকারী রিভিউ, যেমন–কোনো পণ্যের পৃষ্ঠায় ব্যবহারকারীদের মন্তব্য বিভাগে পোস্ট করা রিভিউগুলোকে মূল্যায়ন করে না।

তাহলে এই নতুন ম্যানুয়াল অ্যাকশনের নিয়মটি ঠিক কোথায় কাজ করবে? এটি কাজ করবে মূলত সেই সব রিভিউ স্নিপেট এবং স্ট্রাকচার্ড ডেটার ওপর, যা আপনার ওয়েবসাইটে প্রথম পক্ষের রিভিউ কনটেন্ট থেকে তৈরি হয়। অর্থাৎ আপনার ব্লগ পোস্টে যদি আপনি কোনো পণ্যের রিভিউ লেখেন এবং সেই রিভিউকে স্ট্রাকচার্ড ডেটা দিয়ে মার্কআপ করেন, তাহলে সেই কনটেন্ট এবং মার্কআপ উভয়ের ক্ষেত্রেই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে। যদি সেই রিভিউ ভুয়া হয় বা অপ্রকাশিত প্রণোদনার ভিত্তিতে লেখা হয়, তাহলে আপনার সাইটের ওপর ম্যানুয়াল অ্যাকশন আসতে পারে।

গুগল বলতে চাইছে, আপনি যদি নিজের ওয়েবসাইটে কোনো রিভিউ প্রকাশ করেন, তাহলে সেই রিভিউ যেন খাঁটি হয়। আপনি লেখক হিসেবে আপনার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান এবং বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতেই যেন রিভিউটি লেখেন। কোনো রকম ভুয়া তথ্য বা উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করলে গুগল তা ধরে ফেলবে।

ওয়েবসাইটের মালিকদের জন্য করণীয়

নতুন নিয়মগুলো ওয়েবসাইটের মালিক, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে এনেছে। আমার মনে হয়, এখন সময় এসেছে পুরোনো কিছু অভ্যাস ঝেড়ে ফেলার।

পুরোনো রিভিউ অডিট করুন

আপনার ওয়েবসাইটে যদি পুরোনো রিভিউ কনটেন্ট থাকে, তাহলে এখনই সেগুলোকে ভালোভাবে অডিট করুন। কোনো রিভিউ কি ভুয়া মনে হচ্ছে? কোনোটা কি এমন সুবিধার বিনিময়ে লেখা, যা প্রকাশ করা হয়নি? যদি এমন কিছু পান, তাহলে দ্রুত সেগুলো সরিয়ে ফেলুন বা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনুন।

স্বচ্ছতা আনুন

যদি আপনি কোনো পণ্য বা পরিষেবার রিভিউ লেখার জন্য কোনো সুবিধা পেয়ে থাকেন, তাহলে সেটিকে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করুন। এটি পাঠকের বিশ্বাস অর্জনে সাহায্য করবে এবং গুগলের নীতিও লঙ্ঘিত হবে না। যেমন- রিভিউয়ের শুরুতে ‘আমি এই পণ্যটি বিনামূল্যে পেয়েছি’ বা ‘এই রিভিউটি একটি স্পনসরড কনটেন্ট’ ইত্যাদি লিখে দিন।

বাস্তব অভিজ্ঞতাকে মূল্য দিন

আপনার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বলুন, তারা যেন শুধু বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রিভিউ লেখেন। যদি কোনো পণ্য বা পরিষেবা ব্যবহার না করা হয়, তাহলে সেই সম্পর্কে রিভিউ না লেখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

কনটেন্টের গুণগত মান বাড়ান

শুধু রিভিউ নয়, সামগ্রিকভাবে আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টের গুণগত মান বাড়াতে মনোযোগ দিন। ব্যবহারকারীর জন্য সত্যি সত্যি সহায়ক, গভীর এবং নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট তৈরি করুন। এটাই দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের চাবিকাঠি।

সত্যি বলতে, এই আপডেটে গুগল আবারও প্রমাণ করলো যে, তারা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা এবং তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতাকে কতটা গুরুত্ব দেয়। এটি হয়তো কিছু ওয়েবসাইট মালিকের জন্য সাময়িক মাথাব্যথার কারণ হবে কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি পুরো অনলাইন ইকোসিস্টেমের জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে। যখন রিভিউগুলো আরও বেশি স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য হবে; তখন ব্যবহারকারীরা আরও আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, আর এটাই তো আমরা সবাই চাই, তাই না? পদক্ষেপটি কেবল গুগলের নীতি পরিবর্তন নয়, এটি অনলাইনে সততা ও স্বচ্ছতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন। আর এই দিগন্তে যারা বিশ্বাসযোগ্যতার সাথে হাঁটবেন, তারাই টিকে থাকবেন, সমৃদ্ধ হবেন। বাকিদের জন্য হয়তো কঠিন সময় আসছে।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে