ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
Home » সর্বশেষ » সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নতুন রোডম্যাপ ঘোষণা

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া নিজের প্রথম বাংলায় ভাষণে তিনি স্পষ্ট করেন, ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করাই নতুন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য।

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন। দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি তিনি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সাথে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারে সরকারের অনুসৃত ‘থ্রি-আর’ (রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন) কৌশল বৈশ্বিক নেতাদের সামনে উপস্থাপন করেন।

ঐতিহাসিক বিশ্বমঞ্চে ভাষণের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সব শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সাথে স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মদানকারী সবার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

ভাষণ প্রদানকালে স্মৃতিকাতর হয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই একই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে অতীতে তাঁর পিতা, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে তাঁর মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের কথা বলেছিলেন। পারিবারিক সেই ধারাবাহিকতায় তিনিও আজ নিজ দেশের মানুষের স্বার্থ ও বিশ্বশান্তির বার্তা নিয়ে বিশ্ব দরবারে উপস্থিত হয়েছেন।

রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্রই শক্তিশালী হতে পারে না। টেকসই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হলে গণতন্ত্র, মানবাधिकार, সুশাসন, জবাবদিহি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান বাংলাদেশে সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা কর্মক্ষম জনসংখ্যার আধিক্যকে কাজে লাগিয়ে বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর, ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি এবং বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’-এ পরিণত করতে সমন্বিত কাজ চলছে। তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের বিকাশ ঘটাতে চলতি অর্থবছর থেকেই স্টার্টআপ উদ্যোগে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে