ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » মৃত্যুর মিছিলে কলম্বিয়া: ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৪, খোঁজ মিলছে না ২৭০০ মানুষের

মৃত্যুর মিছিলে কলম্বিয়া: ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৪, খোঁজ মিলছে না ২৭০০ মানুষের

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে এখনও আটকে আছেন বহু মানুষ, আর নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ২ হাজার ৭০০ জন।

বুধবার (১২ আগস্ট) ক্ষতিগ্রস্ত শহর কালি ও পেরেইরাসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখেছে জরুরি সেবা সংস্থাগুলো। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার (১০ আগস্ট) স্থানীয় সময় দেশটিতে এই শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার মতে, চলতি শতাব্দীতে এটিই দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। সোমবার রাত পর্যন্ত অন্তত ২১টি পরাঘাত (আফটার শক) রেকর্ড করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আরও পরাঘাত হতে পারে বলে নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তরের (ওসিএইচএ) তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে প্রায় ৫ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেক ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে যার অধিকাংশ আবাসিক ভবন ছিল।

জানা গেছে, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে পশ্চিম কলম্বিয়ায় আঘাত হানা এ ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কালি, পেরেইরা ও চোকো অঞ্চল। তবে, প্রত্যন্ত চোকো অঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতির পুরো তথ্য এখনো জানা যায়নি।

এই ভূমিকম্পে কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর কালিতে অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী বোগোতা থেকে ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এই শহরটিতে প্রায় ২২ লাখ মানুষ বসবাস করেন। ভূমিকম্পে শহরটির প্রায় ৪৫টি ভবন পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধসে পড়েছে।

কালি শহরের দক্ষিণাঞ্চলের ভ্যানেসা নামের একটি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে। সাততলা এই আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ২০ জন আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাতুড়ি, কোদাল ও ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে কংক্রিটের স্তর সরানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা। তাদের সঙ্গ দিচ্ছেন শত শত স্বেচ্ছাসেবক।

জানা গেছে, ভবনটি ধসে পাশের একটি নার্সারি স্কুলের ওপর পড়ে। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ম্যাক্সিমিলিয়ানো হেরেরা জানিয়েছেন, নার্সারিটির ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ১৭ জন শিশু আটকে থাকাতে পারে। “ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলটিতে আগে থেকেই গভীর সংকট চলছিল” উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক রেসকিউ কমিটির (আইআরসি) কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা অঞ্চলের উপপরিচালক ক্যামিলা গোমেজ জানান, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো পাওয়া যায়নি। তবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে অবিলম্বে জরুরি সহায়তার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে