আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে ওড়ার সুযোগ পাওয়ার আগেই মাটিতে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইরানের আধা-সরকারি ফার্স ও তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেড জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি এক বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
সাম্প্রতিক সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতির কথা জানাল তেহরান।
আইআরজিসির প্রকাশিত বিবরণী অনুযায়ী, ইরানি হামলায় যেসব মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও বিমান ধ্বংস হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে— ১৭টি গোয়েন্দা ও অভিযানকারী ড্রোন (যার মধ্যে ৮টি সম্পূর্ণ নতুন বা আনপ্যাকড ড্রোন ছিল)। হ্যাঙ্গারের ভেতরে থাকা একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। একটি পি-৮ মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট। একটি সি-১৭ সামরিক পরিবহন বিমান। আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ৮টি রিফুয়েলিং বিমান।
আইআরজিসির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন সামরিক সক্ষমতার বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান এই দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে।
তবে আইআরজিসির এই দাবির বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি দাবি ও হামলার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আল জাজিরা
