নিজস্ব প্রতিবেদক: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রেরণ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের মৃত্যু, উভয়ের মৃত্যু বা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না, তাদের পৃথকভাবে চিহ্নিত করে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ট্রাস্টের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির মাধ্যমে ষষ্ঠ শ্রেণি, একাদশ শ্রেণি ও সমমানের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, অনেক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে অভিভাবকের এনআইডি নম্বর প্রদান সম্ভব হচ্ছে না, যা তথ্য এন্ট্রির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থীর বাবা বা মা কেউ একজন জীবিত, উভয়ই মৃত, অথবা বাবা-মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে—এমন পরিস্থিতিতে এনআইডি সংযুক্ত করা জটিল হয়ে পড়ছে। ফলে এসব শিক্ষার্থী উপবৃত্তি কার্যক্রমের আওতায় আনতে তথ্য সংগ্রহে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এ ধরনের শিক্ষার্থীদের আলাদা তালিকা প্রস্তুত করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য জরুরি ভিত্তিতে আগামী ৭ মে’র মধ্যে ট্রাস্টে পাঠাতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত ও ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আওতায় আনা সহজ হবে এবং তথ্যগত জটিলতা দ্রুত নিরসন করা সম্ভব হবে।
