ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
Home » সর্বশেষ » মমতার পর গ্রেপ্তার দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল

মমতার পর গ্রেপ্তার দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত পদক্ষেপের প্রতিবাদে আয়োজিত ‘দিল্লি চলো’ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) দিল্লির লোধি এস্টেট এলাকা থেকে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাসহ তাঁকে আটক করা হয়। এর পাশাপাশি ভারতের অন্যতম বিরোধী নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আটক করেছে পুলিশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় যোগ দেওয়ার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের ‘দিল্লি চলো’ আহ্বান জানান কেজরিওয়াল। এর পরপরই লোধি এস্টেটে তাঁর গতিরোধ করে পুলিশ তাঁকে আটক করে বাসে তোলে।

আটক অবস্থায় বাস থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন আপ সুপ্রিমো। ভিডিওতে দেখা যায়, তাঁর সঙ্গে আপের শীর্ষ নেতা সঞ্জয় সিং এবং একাধিক প্রভাবশালী নেতাকর্মী উপস্থিত রয়েছেন এবং পুরো বাসে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।

পুলিশি পদক্ষেপের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, “ক্ষমতাসীনদের এই স্বৈরাচারী আচরণে আমরা বিন্দুমাত্র ভয় পাব না। গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় এই লড়াই চলবে।”

ভারতের নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র ডাকে এই বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেসসহ ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের অন্যান্য বিরোধী দলগুলো একাত্মতা প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অসচ্ছতা এবং লাখ লাখ বৈধ ভোটারকে বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের এক দফা দাবি তুলেছেন বিরোধী নেতারা।

অন্যদিকে, দিল্লির রাজপথে অবস্থান ধর্মঘট (ধর্না) চলাকালে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আটক করে দিল্লি পুলিশ, যা পুরো ঘটনার উত্তেজনা বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। শীর্ষ এই দুই প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে আটকের পাশাপাশি দিল্লির যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। গোটা রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর হাজার হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং একাধিক স্থানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানীতে পুলিশি অভিযান ও শীর্ষ বিরোধী নেতাদের আটকের এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে এক অভূতপূর্ব উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে