নবপ্রকাশ ডেস্ক:
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেশের সার্বভৌম স্বার্থ, সাধারণ মানুষের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এই তথ্য জানান।
এ সফরকে ‘ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে একটি প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বার্থ দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছিলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরবেন।
তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তাদের সন্তান জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার এক অভূতপূর্ব ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
অহেতুক ব্যয় ও বিশালাকার বহরের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে এবারের সফর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে জানিয়ে মুখপাত্র বলেন, যাতায়াতসহ মোট ৬ দিনের এই সফরে মূল আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলে মাত্র ৩৫ জন রয়েছেন। এছাড়া সিকিউরিটি, মিডিয়া ও ব্যক্তিগত কিছু অত্যাবশ্যকীয় কর্মকর্তা সঙ্গে রয়েছেন।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৮টায় জাতিসংঘ মহাসচিব আয়োজিত প্রাতঃরাশ সংবর্ধনায় (ওয়েলকাম ব্রেকফাস্ট) অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর সকাল ৯টায় তিনি সাধারণ অধিবেশনের উদ্বোধনী সেশনে যোগ দেবেন। চার কর্মদিবসের এই সংক্ষিপ্ত সফরে বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক বৈঠকের পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনার সারসংক্ষেপ নিয়মিত গণমাধ্যমে জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি একেএম ওয়াহিদুজ্জামানসহ প্রেস টিমের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
