ঢাকা
ঢাকা, বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » বিজিবির হাতে ধ্বংস ৩ কোটি টাকার মাদক

বিজিবির হাতে ধ্বংস ৩ কোটি টাকার মাদক

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিচালিত চোরাচালানবিরোধী বিভিন্ন অভিযানে উদ্ধারকৃত প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যমানের অবৈধ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) সদর দপ্তরের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ এই মাদকসামগ্রী পুড়িয়ে ও বিনষ্ট করে ফিউশন করা হয়।

বিজিবি গুইমারা সেক্টরের আওতাধীন রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি), খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (৪০ বিজিবি) ও যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি) যৌথভাবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্টে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে ছিল বিপুল পরিমাণ ভারতীয় তৈরি অবৈধ মদ, ইয়াবা, বিদেশি সিগারেট ও ক্ষতিকর উচ্চমাত্রার তামাকজাত পণ্য।

মাদক বিনষ্টকরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি চট্টগ্রাম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “দেশের সামাজিক মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত রাখতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। আন্তর্জাতিক কিংবা অভ্যন্তরীণ যে কোনো শত্রুভাবাপন্ন শক্তির চেয়েও যুবসমাজের মাঝে ছড়িয়ে পড়া মাদকের ধ্বংস ক্ষমতা অনেক বেশি প্রলয়ঙ্করী। তরুণ প্রজন্ম ও পরিবারগুলোকে এই মরণনেশার থাবা থেকে মুক্ত রাখতে সর্বস্তরে সামাজিক প্রতিরোধ ও সজাগ সচেতনতা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, পার্বত্য সীমান্ত দিয়ে মাদকের প্রবেশ পথ সম্পূর্ণ বন্ধে বিজিবির সদস্যরা চব্বিশ ঘণ্টা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও প্রখর নজরদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারের নির্দেশিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থান সামনে রেখে সীমান্তে এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও বলবৎ থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান ও উপস্থিতি বজায় রাখেন গুইমারা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মিজানুর রহমান, রামগড় ব্যাটালিয়নের (৪৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম, খেদাছড়া ব্যাটালিয়নের (৪০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহা. শাহীনূল ইসলাম এবং যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়নের (২৩ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মো. মঈনুল আলম।

এ ছাড়া আইনি তদারকির স্বার্থে খাগড়াছড়ি বিচার বিভাগের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), খাগড়াছড়ি জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তা ও রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। একই সাথে স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে বিজিবির মাদক নিধন প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে