পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে চিকিৎসাজনিত কারণে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে নেপথ্য আলোচনা শুরু হয়েছে। পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ও তার পরিবারের নিকটবর্তী সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে গত তিন বছর ধরে বন্দী রয়েছেন ৭৩ বছর বয়সি এই নেতা। সম্প্রতি চোখের অস্ত্রোপচারের পর তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। উপরন্তু, পরিবার ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার দুই ছেলে সুলাইমান ও কাসিম। তার আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা সৈয়দ জুলফি বুখারীও তার দ্রুত কারামুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, চিকিৎসায় লন্ডন পাঠানো নওয়াজ শরীফের আগের মডেলটি ইমরানের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হতে পারে। তবে এতে রাজনীতি থেকে সাময়িক অবসান ও নীরব থাকার মতো কিছু শর্ত যুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু আপসহীন মনোভাবের জন্য পরিচিত ইমরান খান এসব শর্ত মেনে নেবেন কি না, তা অনিশ্চিত।
তবে সরকারের তরফ থেকে এই আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানিয়েছেন, ইমরান খানের ভাগ্য আদালতেই নির্ধারিত হবে এবং বর্তমানে তাকে স্বাস্থ্যের অজুহাতে জামিন দেওয়ার কোনো ভিত্তি নেই।
