যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দ্রুত একটি চুক্তির মাধ্যমে কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে নতুন করে হামলা চালাবে না।
জ্বালানি অবকাঠামোসহ নতুন করে ভয়াবহ হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের পালটাপালটি হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আবারও যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
রোববার (২ আগস্ট) ভোরে নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ তাকে হামলা স্থগিত করার অনুরোধ করেছে, কারণ ‘একটি চুক্তির রূপরেখা সম্মত হয়েছে’।
তবে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন কোনো অনুরোধ করেছে বলে ট্রাম্পের দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলেছে, এই অভিযোগ ‘নতুন একটি মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়’ এবং ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে ও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত’।
এদিকে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিদের কারণে লোহিত সাগরেও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দ্রুত একটি চুক্তির মাধ্যমে কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান ঘটলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে নতুন করে হামলা চালাবে না।
জ্বালানি অবকাঠামোসহ নতুন করে ভয়াবহ হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের পালটাপালটি হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আবারও যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
রোববার (২ আগস্ট) ভোরে নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ তাকে হামলা স্থগিত করার অনুরোধ করেছে, কারণ ‘একটি চুক্তির রূপরেখা সম্মত হয়েছে’।
তবে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন কোনো অনুরোধ করেছে বলে ট্রাম্পের দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলেছে, এই অভিযোগ ‘নতুন একটি মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়’ এবং ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ‘সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে ও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত’।
এদিকে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিদের কারণে লোহিত সাগরেও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
কেন হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প?
এর আগে ট্রাম্প এক পোস্টে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত’ ছিল। কিন্তু তেহরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ তাকে নতুন করে হামলা না চালানোর অনুরোধ করে।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, এই অনুরোধের ভিত্তিতে এবং বিশ্বের ভবিষ্যতের কল্যাণে, সেইসঙ্গে একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরান টিকে থাকার স্বার্থে আমি হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তবে শর্ত হলো দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।
তিনি জানান, এ চুক্তির মধ্যে থাকবে ‘অবিলম্বে ও পুরোপুরি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসান।‘
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ইসরাইলও আমার সঙ্গে এই প্রতিশ্রুতিতে একমত। সবাই কাজে লেগে পড়ুন এবং এটি সম্পন্ন করুন।
তবে এই চুক্তির শর্ত কী হবে বা কারা এর মধ্যস্থতা করছে, সে বিষয়ে ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউস বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, শনিবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের নতুন হামলার পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যুবরাজ ট্রাম্পকে উত্তেজনা কমানোর এবং হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় একটি চিন্তার বিষয় হলো তাদের সামরিক মজুত, বিশেষ করে ‘প্যাট্রিয়ট অ্যান্টি-মিসাইল ইন্টারসেপ্টর’ দ্রুত ফুরিয়ে আসা।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের মজুত ছিল প্রায় ২,৩০০টি, যা এখন ৮২৭-এর নিচে নেমে এসেছে।
ডেমোক্র্যাট দলীয় মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন এবিসি নেটওয়ার্ককে বলেন, আমরা আমাদের ইন্টারসেপ্টরগুলো শেষ করে ফেলছি… যা মার্কিন সেনাদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশ্বের অন্যান্য স্থানে সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকির মধ্যেও আমরা প্রতিদিন এগুলো ব্যবহার করছি।
এর আগে ট্রাম্প এক পোস্টে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত’ ছিল। কিন্তু তেহরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ তাকে নতুন করে হামলা না চালানোর অনুরোধ করে।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, এই অনুরোধের ভিত্তিতে এবং বিশ্বের ভবিষ্যতের কল্যাণে, সেইসঙ্গে একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরান টিকে থাকার স্বার্থে আমি হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তবে শর্ত হলো দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।
তিনি জানান, এ চুক্তির মধ্যে থাকবে ‘অবিলম্বে ও পুরোপুরি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসান।‘
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ইসরাইলও আমার সঙ্গে এই প্রতিশ্রুতিতে একমত। সবাই কাজে লেগে পড়ুন এবং এটি সম্পন্ন করুন।
তবে এই চুক্তির শর্ত কী হবে বা কারা এর মধ্যস্থতা করছে, সে বিষয়ে ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউস বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, শনিবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের নতুন হামলার পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যুবরাজ ট্রাম্পকে উত্তেজনা কমানোর এবং হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় একটি চিন্তার বিষয় হলো তাদের সামরিক মজুত, বিশেষ করে ‘প্যাট্রিয়ট অ্যান্টি-মিসাইল ইন্টারসেপ্টর’ দ্রুত ফুরিয়ে আসা।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের মজুত ছিল প্রায় ২,৩০০টি, যা এখন ৮২৭-এর নিচে নেমে এসেছে।
ডেমোক্র্যাট দলীয় মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন এবিসি নেটওয়ার্ককে বলেন, আমরা আমাদের ইন্টারসেপ্টরগুলো শেষ করে ফেলছি… যা মার্কিন সেনাদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিশ্বের অন্যান্য স্থানে সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকির মধ্যেও আমরা প্রতিদিন এগুলো ব্যবহার করছি।
