লাইফস্টাইল ডেস্ক
দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা, অতিরিক্ত হাঁটা, হিল পরার অভ্যাস কিংবা পায়ের ত্বক ফেটে যাওয়ার কারণে গোড়ালি ও পায়ের পাতায় অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। কখনো পুষ্টির ঘাটতিও এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ব্যথা হলেই ওষুধ খাওয়ার বদলে দৈনন্দিন খাবার ও পায়ের যত্নের দিকেও নজর দেওয়া যেতে পারে।
ব্যথা ও অস্বস্তি কমাতে কিছু খাবার এবং ঘরোয়া যত্ন সহায়ক হতে পারে।
আদা
আদায় থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের প্রদাহজনিত অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে। হালকা গরম পানিতে আদা দিয়ে পানীয় তৈরি করে খাওয়া যায়। চাইলে সামান্য মধুও যোগ করা যেতে পারে।
হলুদ
হলুদেও রয়েছে প্রদাহ কমাতে সহায়ক উপাদান। দুধ বা হালকা গরম পানিতে অল্প হলুদ মিশিয়ে পান করতে পারেন। তবে অতিরিক্ত হলুদ খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
মাছ
খাদ্যতালিকায় মাছ রাখাও উপকারী হতে পারে। বিশেষ করে তৈলাক্ত মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত সুষম খাবারের অংশ হিসেবে মাছ খেলে সামগ্রিকভাবে হাড় ও শরীরের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকার পাওয়া যায়।
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
পায়ের ক্লান্তি বা অস্বস্তিতে অনেকে হালকা গরম পানিতে অল্প অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে ফুট-সোক করে থাকেন। তবে ত্বকে জ্বালা বা ক্ষত থাকলে এটি ব্যবহার না করাই ভালো। ব্যবহারের আগে ভিনেগার অবশ্যই পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
সৈন্ধব লবণ
হালকা গরম পানিতে সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে কিছুক্ষণ পা ভিজিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে দীর্ঘ সময় হাঁটা বা দাঁড়িয়ে থাকার পর পায়ের ক্লান্তি কিছুটা কমতে পারে। তবে এটি গোড়ালির ব্যথার মূল কারণের চিকিৎসা নয়।
গোড়ালির ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে, বারবার ফিরে এলে, ফুলে গেলে বা হাঁটতে সমস্যা হলে শুধু ঘরোয়া পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
