ঢাকা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
Home » সর্বশেষ » ইরানের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারে ট্রাম্প,আশঙ্কা ইসরাইলের

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারে ট্রাম্প,আশঙ্কা ইসরাইলের

নবপ্রকাশ ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তার মিত্র ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি মনে করেন, এমন চুক্তিতে যুদ্ধ শুরুর পেছনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইস্যুকে অমীমাংসিত রাখা হবে। একাধিক ইসরাইলি সূত্র সিএনএনকে এ কথা জানিয়েছে।

তাদের মতে, যদি কোনো চুক্তিতে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির একটি অংশ বহাল থাকে এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থনের মতো বিষয়গুলো বাদ পড়ে যায়, তাহলে ইসরাইল মনে করবে যুদ্ধ এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

এক ইসরাইলি সূত্র বলেন, মূল উদ্বেগ হলো ট্রাম্প আলোচনা নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন এবং শেষ মুহূর্তের ছাড় দিয়ে যেকোনো ধরনের চুক্তি করে ফেলতে পারেন। তিনি বলেন, মার্কিন কর্মকর্তারা ইসরাইলকে আশ্বস্ত করেছেন যে, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের বিষয়টি আলোচনায় থাকবে। তবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও তেহরানের প্রক্সি নেটওয়ার্ককে আলোচনার বাইরে রাখার বিষয়টি বড় উদ্বেগের। যুদ্ধের সময় ইসরাইল ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর দিকে এক হাজারের বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। পাশাপাশি চালানো হয়েছিল ড্রোন হামলাও।

কর্মকর্তাদের মতে, যদি আংশিক কোনো চুক্তি ইরানের মূল সামরিক সক্ষমতাগুলোর কিছু অংশ অক্ষত রাখে এবং একই সঙ্গে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক চাপ কমিয়ে দেয়, তাহলে তা ইরানি শাসনব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করতে পারে এবং তাদের হাতে নতুন অর্থের জোগান পৌঁছে দিতে পারে।

এই উদ্বেগ ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে পার্থক্যকে স্পষ্ট করে। ট্রাম্প নতুন করে যুদ্ধ শুরু করতে অনিচ্ছুক বলে মনে হচ্ছে, আর নেতানিয়াহুর আশঙ্কা- যুদ্ধ তার সব প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণ না করেই শেষ হয়ে যাবে।

হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বলেন, ইরান ভালোভাবেই জানে যে বর্তমান পরিস্থিতি টেকসই নয় এবং আলোচনায় সব তাস ট্রাম্পের হাতেই। অলিভিয়া ওয়েলস সিএনএনকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হয়েছে, উৎপাদন কেন্দ্র ভেঙে ফেলা হয়েছে, নৌবাহিনী ডুবে গেছে এবং তাদের প্রক্সিগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। এখন অপারেশন ইকোনমিক ফিউরির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে তাদের শ্বাসরোধ করা হচ্ছে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর সফল অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার হারাচ্ছে।

তবে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা এখনো অনেক দূরের বিষয়। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থানে এখনো বড় ফারাক রয়েছে। একই সঙ্গে ইসরাইল যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে