স্টাফ রিপোর্টার:
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশের বিদ্যুৎ খাতে সরকারের বর্তমান অগ্রাধিকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ। তিনি বলেন, পাকিস্তান যদি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশও তা করতে সক্ষম।
আজ সোমবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) নতুন ভবনের কাউন্সিল কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের রোডম্যাপ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জ্বালানিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইইবির ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (ইঞ্জিনিয়ার্স ডে) উপলক্ষে ঢাকা কেন্দ্র এ সেমিনারের আয়োজন করে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘সরকারের প্রায়োরিটি এখন সোলার এনার্জি। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতে আমদানিনির্ভর বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে অনিয়ম হয়েছে এবং এখনও সেই ধারা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে নীতিগত সহায়তার ওপর জোর দিয়ে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সৌর প্যানেল আমদানিতে কর ছাড় দিলে উৎপাদন ও ব্যবহার উভয়ই বাড়বে। বাড়িওয়ালাদের চাপ প্রয়োগের পরিবর্তে প্রণোদনার মাধ্যমে সোলার ব্যবহারে উত্সাহিত করার পরামর্শও দেন তিনি।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও এ্যাবের আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, এ্যাবের প্রধান উপদেষ্টা প্রকৌশলী আ.ন.হ. আখতার হোসেন এবং আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. জিয়াউর রহমান খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইবির প্রেসিডেন্ট ও রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন তালুকদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী কে এম আসাদুজ্জামান।
