স্পোর্টস ডেস্ক:
২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন অনুশীলন চক্র শুরু করেছে ব্রাজিল। আগামী ২৫ ও ২৯ তারিখ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ব্রিসবেনে ফুটবলারদের স্বাগত জানানো শুরু করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে আগামী বুধবারের আগে পুরো স্কোয়াডকে একসঙ্গে পাচ্ছেন না সেলেসাওদের কোচ। প্রথম অনুশীলনে তাই দেখা যাবে মাত্র পাঁচজন ফুটবলারকে।
ভ্রমণ ও লজিস্টিক জটিলতার কারণে ব্রাজিলের ফুটবলারদের ব্রিসবেনে পৌঁছানোর বিষয়টি পাঁচ দিনে ভাগ করেছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। মূল দলের অনুশীলনে সহায়তার জন্য ডাক পাওয়া গ্রেমিওর তরুণ গোলকিপার গ্যাব্রিয়েল মেনেগন কোচিং স্টাফদের সঙ্গেই গত শনিবার ব্রিসবেনে পৌঁছান। আর রোববারে সেখানে পা রাখেন কেবল দুই ফুটবলার—দগলাস সান্তোস ও এস্তেভাও।
সোমবার ব্রিসবেনে আসার কথা থাকলেও ব্রুনো গিমারেস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসকে পোহাতে হয়েছে ফ্লাইট বিভ্রান্তি। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে কুইন্সল্যান্ডের রাজধানীতে এই ফুটবলারদের বহনকারী বিমানটি নামতেই পারেনি। বাধ্য হয়ে বিমানটিকে সিডনিতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে সকালের শেষ ভাগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। তবে বিকেলে জিমে দলের সঙ্গে অনুশীলনে তাঁদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে সোমবার ব্রিসবেনে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে জায়ার ও রাফিনিয়ার।
তবে স্কোয়াড মূলত পূর্ণাঙ্গ রূপ নেওয়া শুরু করবে মঙ্গলবার থেকে, যখন একসঙ্গে আরও ১৭ জন ফুটবলার ব্রিসবেনে এসে পৌঁছাবেন। তারা হলেন—রায়াইন, ভিটোর রেইস, দানিলো, গ্যাব্রিয়েল বোনতেম্পো, পেদ্রো মৌরিসকো, আন্দ্রে সান্তোস, মার্কিনিয়োস, এনদ্রিক, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মার্তিনেল্লি, বিদোন, দগলাস লুইজ, হুগো সোজা, মাথেউজিনহো, মাউরো জুনিয়র, পেদ্রো এবং স্যামুয়েল লিনো।
ওতাভিও, আর্থার দিয়াস ও ভ্যান্ডারসন আগামী বুধবারে এসে পৌঁছালেই কেবল পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে ব্রাজিল দল। ফলে টাউনসভিলে আগামী শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম প্রীতি ম্যাচের আগে পুরো দলকে নিয়ে মাত্র দুটি অনুশীলনের সুযোগ পাবেন আনচেলত্তি।
এরপর ভারতের উদ্দেশ্যে উড়াল দেওয়ার আগে ২৯ তারিখ মঙ্গলবার ব্রিসবেনেই দ্বিতীয় ম্যাচে আবার অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। সফর শেষে ভারতে পা রেখে ৩রা অক্টোবর কলকাতায় স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে সেলেসাওরা।
