বিনোদন ডেস্ক:
অভিনয় দক্ষতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়নকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিনের সফল ক্যারিয়ার রয়েছে রাফিয়াত রশিদ মিথিলার। এবার পেশাগত জীবনে এক নতুন ও আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের সূচনা করলেন এই তারকা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে দীর্ঘ দুই দশকের কর্মজীবনের ইতি টেনে যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চপদস্থ গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। একই সাথে শুরু করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনাও।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নতুন কর্মক্ষেত্র ও আন্তর্জাতিক এই সাফল্যের খবর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন মিথিলা।
ফেসবুক পোস্টে মিথিলা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত স্বনামধন্য কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ ‘অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।
নতুন এই দায়িত্বে মিথিলা মূলত নিউইয়র্কভিত্তিক ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ নামক একটি বিশেষ প্রকল্পের নকশা প্রণয়ন ও সার্বিক মূল্যায়নের নেতৃত্ব দেবেন। প্রারম্ভিক শৈশবের সুষম বিকাশ, পারিবারিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনস্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবে বিশ্বমানের এই গবেষণা উদ্যোগ।
উন্নয়ন খাতে নিজের দীর্ঘ ২১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে মিথিলা আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অর্জিত এই জ্ঞান কলাম্বিয়ার আধুনিক গবেষণা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্থানীয় মানুষের প্রকৃত চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে। তথ্য-উপাত্ত ও গবেষণালব্ধ প্রমাণের ওপর ভিত্তি করেই পুরো প্রকল্পটির কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।
গবেষণার পাশাপাশি বিশ্বখ্যাত সিটির শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন মিথিলা। দ্য সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে (সিইউএনওয়াই) ‘অ্যাডজাঙ্কট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেছেন তিনি। সেখানে শিক্ষার্থীদের ‘নন-প্রফিট ম্যানেজমেন্ট’ (অলাভজনক সংস্থা ব্যবস্থাপনা) বিষয়টি পাঠদান করছেন। এর মাধ্যমে উদীয়মান শিক্ষার্থীদের অলাভজনক খাতের বাস্তব কর্মঅভিজ্ঞতা ও নীতিগত বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।
নতুন এই আন্তর্জাতিক অর্জনের সন্ধিক্ষণে নিজের দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ‘ব্র্যাক’-এর অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন মিথিলা। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নত গবেষণা অবকাঠামো এবং বিশ্বসেরা গবেষকদের টিমে কাজ করার সুযোগ পেয়ে তিনি চরম উচ্ছ্বসিত।
