ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » রোহিঙ্গা সংকট ও বঙ্গোপসাগরে জ্বালানি অনুসন্ধানে বিনিয়োগের আহ্বান

রোহিঙ্গা সংকট ও বঙ্গোপসাগরে জ্বালানি অনুসন্ধানে বিনিয়োগের আহ্বান

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিজ দেশে টেকসই প্রত্যাবাসন এবং ভোলাসহ বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাময় উপকূলীয় অঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে চীনা বিনিয়োগের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, প্রযুক্তি খাত, মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি মাঝারি ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগ এবং ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর’ গঠনসহ সার্বিক উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই প্রথম বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখেন।

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার কথা উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার, গুম ও খুনের রাজনীতির অবসান ঘটে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পুনরায় জনগণের পছন্দ ও সঠিক গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে স্পিকার জানান, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ চরম প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছে। এর স্থায়ী সমাধান ও তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাতে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে। চীন বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সহ বিভিন্ন লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

বৈঠকে স্পিকার পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ওয়ান চায়না পলিসি’ সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও এই অবস্থান বজায় রাখবে। এছাড়া, তিনি বহুমাত্রিক বিনিয়োগের পাশাপাশি ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে বাংলাদেশের প্রার্থী ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর সমর্থনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে