ঢাকা
ঢাকা, বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » “বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে যুদ্ধে রূপ দেন মেজর জিয়া”-তথ্যমন্ত্রী

“বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে যুদ্ধে রূপ দেন মেজর জিয়া”-তথ্যমন্ত্রী

জবি প্রতিনিধি: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মেজর জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে নতুন মাত্রা দেয় এবং একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক আন্দোলনকে মুক্তিযুদ্ধে রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বুধবার (২২ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক সংগ্রামকে ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার মাধ্যমে তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতায় যুদ্ধে রূপান্তর করেছিলেন। এই ঘোষণাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করেছে।”

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পরিচয় কেবল ভাষাভিত্তিক হবে— এমন ধারণা থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন বাস্তবতায় তার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়। এ প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করে দেশের সকল নাগরিককে একটি অভিন্ন জাতীয় পরিচয়ের আওতায় নিয়ে আসেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, “মেজর জিয়া পরবর্তীকালে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন প্রবর্তন করেন। এই দর্শনের ভিত্তি নাগরিকত্ব, যেখানে ধর্ম, বর্ণ বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাই বাংলাদেশি। এর মাধ্যমে দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় ঐক্য সুসংহত হয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল দর্শন হলো সকল সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা।

সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, ইউট্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন এবং শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ড. নাছির আহমাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. ইমরানুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ড. মো. নাছির উদ্দিন।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে