বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নরওয়ে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার এই স্মরণীয় অর্জনের পর দলের ড্রেসিংরুমে হাজির হয়ে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান নরওয়ের ভবিষ্যৎ রানি রাজকুমারী ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা।
যুবরাজ হাকন ও যুবরানি মেটে-মারিয়েটের জ্যেষ্ঠ কন্যা ইনগ্রিড আলেকজান্দ্রা খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দলের নায়ক আর্লিং হালান্ডকে উষ্ণ আলিঙ্গনে অভিনন্দন জানান তিনি। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, ঐতিহাসিক জয়ের পর ড্রেসিংরুমে উৎসবের আবহ। সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে ব্যস্ত শার্টলেস হালান্ড রাজকুমারীকে দেখে এগিয়ে যান এবং আন্তরিক আলিঙ্গনের মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান। পরে দুজনকে করমর্দন করতেও দেখা যায়।
রাজকুমারীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার ভাই প্রিন্স সভেরে ম্যাগনুস। তারা দুজনই একে একে সব খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিনন্দন জানান।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে নরওয়ে। ম্যাচে জোড়া গোল করে দলের জয়ের নায়ক হন হালান্ড। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করে নরওয়েজিয়ানরা।
এর আগে ম্যাচ শেষে নরওয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ঢোল বাজাতেও দেখা যায় হালান্ডকে।
নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মুহূর্ত কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে হালান্ড বলেন, “হ্যাঁ, এটি অবিশ্বাস্য। মাঝে মাঝে নিজেকেই চিমটি কেটে দেখতে হয়, সত্যিই কি এসব ঘটছে! সাধারণত আমি সহজে কথা হারাই না, কিন্তু এই মুহূর্তে ঠিক কী বলব, তা খুঁজে পাচ্ছি না।”
তিনি আরও বলেন, “নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপে খেলা এবং দলকে বিশ্বকাপে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন সবসময়ই ছিল। কিন্তু ব্রাজিলকে হারাব—এমনটা কখনো কল্পনাও করিনি। সত্যিই এটি এক অবিশ্বাস্য অনুভূতি যে আমরা ব্রাজিলকে পরাজিত করেছি।”
