ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » জবিতে সভা চলাকালে হামলার অভিযোগ, নেতৃত্বে অর্ঘ্য ও চন্দন

জবিতে সভা চলাকালে হামলার অভিযোগ, নেতৃত্বে অর্ঘ্য ও চন্দন

জবি প্রতিনিধি: মোঃসায়েদিল মোরছালিন।।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত এক সাধারণসভাকে কেন্দ্র করে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির এক সাংবাদিকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাট্যকলা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের বিরুদ্ধে বহিরাগত নিয়ে হামলার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

শুক্রবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাধারণসভার একপর্যায়ে একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন কুমার দাস তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন বহিরাগত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম ব্যাচের তিন শিক্ষার্থীকে সাংবাদিক অপূর্ব রায়ের ওপর হামলার নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থী হলেন— প্রত্যয় চৌধুরী, শুভ নাথ ও প্রান্ত। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যয় চৌধুরী প্রথমে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য ও দৈনিক নাগরিক ভাবনার সাংবাদিক অপূর্ব রায়কে থাপ্পড় মারেন। পরে শুভ নাথ ও প্রান্ত দেশীয় অস্ত্র ও বাঁশ নিয়ে তার ওপর হামলার চেষ্টা করেন।

এসময় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের সদস্য সচিব জয় সাহা আহত হন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহত সাংবাদিক অপূর্ব রায়কে নিরাপদে তার বাসায় পৌঁছে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. নঈম সিদ্দিকী বলেন, “আহত শিক্ষার্থীকে আমি নিজ দায়িত্বে বাসায় পৌঁছে দিয়েছি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আহত সাংবাদিক অপূর্ব রায় বলেন, “পূর্বের একটি ঘটনার জের ধরে কেন্দ্রীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত সভার সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন কুমার দাসের সঙ্গে থাকা প্রত্যয় আমার গায়ে হাত তোলে এবং শুভ বাঁশ নিয়ে আমাকে আক্রমণ করতে আসে।”

উল্লেখ্য, এর আগেও অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন কুমার দাসের বিরুদ্ধে বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছিল। ভুক্তভোগীরা বর্তমান ঘটনাসহ পূর্বের অভিযোগগুলোরও সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

তবে এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে