ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের পাসপোর্টে সহজ নিয়ম চালুর দাবি

অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের পাসপোর্টে সহজ নিয়ম চালুর দাবি

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা দুটি গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্স (পুলিশ ভেরিফিকেশন) নেওয়ার বাধ্যবাধকতা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিচারক পদে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র তাদের মর্যাদা ও পরিচয় যাচাই করেই প্রটোকল অনুযায়ী কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়ে থাকে। ফলে অবসরের পর সাধারণ পাসপোর্ট পেতে তাদের আবারও নতুন করে গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের মুখোমুখি করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২ সেপ্টেম্বর এই রায় দেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়।

রায়ে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীসহ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ও তাঁদের স্ত্রীদের কোনো প্রকার অতিরিক্ত গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন ছাড়াই দ্রুত সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যু করে তা হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড বা প্রেক্ষাপট: রিট আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ বা রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও তাঁদের স্ত্রীগণ কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্টের অধিকারী। বিচারকের পদ থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর নিয়ম অনুযায়ী এই কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে তাঁদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হয়। ইতিপূর্বে এই প্রক্রিয়ায় সাধারণ পাসপোর্ট ইস্যুতে কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনের প্রয়োজন হতো না।

তবে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক নতুন স্মারক জারি করে। এতে বলা হয়, কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে কেউ সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করলে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সন্তোষজনক প্রতিবেদন সাপেক্ষে তা দেওয়া হবে।

এই পরিপত্রের কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ ইমান আলী তাঁর কূটনৈতিক পাসপোর্ট সমর্পণ করে ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন করলেও গোয়েন্দা ক্লিয়ারেন্সের দোহাই দিয়ে তা আটকে রাখা হয়। এতে তিনি বিদেশ ভ্রমণে জটিলতার সম্মুখীন হন।

পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের অনুমতিক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের প্রোটোকল অফিসার মো. রোমান ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে জারিকৃত রুল চূড়ান্ত (অ্যাবসোলিউট) ঘোষণা করে এই রায় দেন উচ্চ আদালত।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে