ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
Home » সর্বশেষ » ফেনীতে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টা, পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৬

ফেনীতে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টা, পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৬

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

ফেনীর দাগনভূঞায় এক গৃহবধূকে (২৫) আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী দম্পতিকে অপহরণ করে মারধর, মালামাল লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম থেকে নিজ মালিকানাধীন অটোরিকশায় করে নোয়াখালীর চরজব্বর উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা হন ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী। রাতে দাগনভূঞার ফাজিলেঘাট রোড এলাকায় পৌঁছালে অটোরিকশার চার্জ শেষ হয়ে যায়। রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে অটোরিকশাটি একটি গ্যারেজে চার্জে দিয়ে স্বামী মাসুদ খাবারের খোঁজে পাশের একটি হোটেলে যান।

স্বামী দূরে যাওয়ার সুযোগে অভিযুক্ত স্থানীয় আবুল বাশার, মো. রাশেদ, মো. জাকির হোসেন, আবদুল মান্নান, দেলোয়ার হোসেন, শাহেদুল ইসলাম, শাহরিয়ার নোমান, জাকের হোসেন ও মো. শাকিলসহ অজ্ঞাত কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে ওই গৃহবধূকে ঘিরে ফেলে। পরে তার স্বামী ফিরে এলে দুজনকেই অপহরণ করে জগতপুর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে স্বামীকে হাত-পা বেঁধে আটকে রেখে গৃহবধূর বস্ত্রহরণ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। পরে ভুক্তভোগীদের আকুতি উপেক্ষা করে তাদের কাছের আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যাওয়া হয় এবং রাত দেড়টার দিকে বাশারের সহায়তায় ধর্ষণের চেষ্টা অব্যাহত রাখা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত দুটি স্মার্টফোন, স্বর্ণালংকার, একটি সাউন্ডবক্স, টেবিল ফ্যান লুট করে নেওয়া হয় এবং অটোরিকশার ব্যাটারির তার কেটে দেওয়া হয়। ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী দম্পতিকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে দাগনভূঞা থানায় মামলা দায়ের করেন।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশ ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে এবং এজাহারনামীয় ৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করে। ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এজাহারে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণচেষ্টা’র কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী ধর্ষণের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি, ফলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়নি।

এদিকে ঘটনাটি কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে