ঢাকা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
Home » সর্বশেষ » ‘আওরাপন ২’-এর ঝড়, লক্ষ্যের মুখে ২০০ কোটি

‘আওরাপন ২’-এর ঝড়, লক্ষ্যের মুখে ২০০ কোটি

ইমরান হাশমি অভিনীত ‘আওরাপন ২’ বক্স অফিসে দারুণ গতি ধরে রেখেছে। ১৪ আগস্ট মুক্তির পর দ্বিতীয় সপ্তাহেও দর্শকদের আগ্রহ ধরে রেখেছে ছবিটি। বিশেষ করে দ্বিতীয় সপ্তাহান্তে আয় বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটি রুপি আয়ের মাইলফলকের আরও কাছে পৌঁছে গেছে সিনেমাটি।

বক্স অফিসের হিসাব অনুযায়ী, মুক্তির দশম দিনে ভারতে ৮ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নেট আয় করেছে ‘আওরাপন ২’। এদিন ১৩ হাজার ৬৩২টি প্রদর্শনীতে ছবিটির গড় দর্শক উপস্থিতি ছিল প্রায় ২১ শতাংশ। ফলে ভারতে ছবিটির মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটি ২৫ লাখ রুপি। ভারতীয় বাজারে ছবিটির মোট গ্রস আয় এখন ১৬২ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

বিদেশের বাজারেও ভালো ব্যবসা করছে ছবিটি। দশম দিনে বিদেশ থেকে এসেছে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপি। এতে বিদেশে ছবিটির মোট গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ৩০ কোটি ৩০ লাখ রুপি। ভারত ও বিদেশের আয় মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ‘আওরাপন ২’র মোট গ্রস সংগ্রহ এখন ১৯২ কোটি ৮০ লাখ রুপি।

অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করতে ছবিটির প্রয়োজন আর মাত্র ৭ কোটি ২০ লাখ রুপি।

দ্বিতীয় সপ্তাহের শুক্রবার ‘আওরাপন ২’-এর আয় কিছুটা কমে যায়। ওই দিন ভারতে ৫ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নেট আয় করে ছবিটি। তবে পরদিন থেকেই ফের গতি বাড়ে। দ্বিতীয় শনিবার ছবিটির আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ২৫ লাখ রুপি। শুক্রবারের তুলনায় আয় বেড়েছে প্রায় ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহ শেষে ভারতে ছবিটির নেট আয় ছিল ১১৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি। দ্বিতীয় সপ্তাহে আয় বাড়তে থাকায় এখন ২০০ কোটি রুপির বৈশ্বিক মাইলফলক নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

মুক্তির সময় সানি দেওল অভিনীত ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর সঙ্গে বক্স অফিসে প্রতিযোগিতায় নামে ‘আওরাপন ২’। তবে দশম দিন পর্যন্ত ব্যবসার দিক থেকে দুই ছবির মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। যেখানে ‘আওরাপন ২’ ভারতে ১৩৬ কোটি ২৫ লাখ রুপি নেট আয় করেছে, সেখানে ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর আয় ছিল ৩৬ কোটি ৮০ লাখ রুপি।

নিতিন কাক্কর পরিচালিত ‘আওরাপন ২’ ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় ছবি ‘আওরাপন’র সিক্যুয়েল। প্রথম ছবির আবেগ, গান এবং ইমরান হাশমির অভিনয় দর্শকদের মনে যে জায়গা তৈরি করেছিল, নতুন ছবির সাফল্যের পেছনে সেই নস্টালজিয়ার বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক বক্স অফিস বিশ্লেষণেও ছবিটির সাফল্যের অন্যতম কারণ হিসেবে নস্টালজিয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

বিশেষ ভাটের প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটিতে ইমরান হাশমির সঙ্গে অভিনয় করেছেন দিশা পাটানি ও শাবানা আজমি। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও আছেন পুরান গাব্বি, সুভিন্দর ভিকি, বিজয়ন্ত কোহলি, অতুল কুমার, মাইরা শিভান, অনিরুদ্ধ রাওয়াল, জাগক্রিড কামডি, বরুণ চন্দা, রুখসার রহমান ও রিচা জৈন।

শ্রিয়া শরণ ও শাদ রন্ধাওয়াও বিশেষ চরিত্রে হাজির হয়েছেন। তারা যথাক্রমে আলিয়া হামিদ ও কবিরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।তবে বক্স অফিসে সাফল্য পেলেও ছবিটি নিয়ে সমালোচনা একেবারে একমুখী নয়। ধীরগতির প্রথমার্ধ, কিছুটা অনুমানযোগ্য গল্পের মোড় এবং দুর্বল খলনায়ক নিয়ে আপত্তি তুলেছেন কেউ কেউ। অন্যদিকে ইমরান হাশমির অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। পুরোনো ছবির আবেগ ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে নতুন গল্পের আবেগকে মিলিয়ে শিবম পণ্ডিতের উত্তরাধিকার ধরে রাখার চেষ্টাও দর্শকের নজর কেড়েছে।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে