গতকাল রোববার (২১ জুন) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ ও স্থানান্তর কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
আদালত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৬০ দিনের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। এই কমিটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এমডিভি ও কনভির কর্মসূচির কার্যকারিতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা পর্যালোচনা করবে।
আদালতের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কমিটিকে কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে আদালতে প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে।
রুলে আদালত জানতে চেয়েছেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিপত্র এবং প্রাণী কল্যাণ আইন, ২০১৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারার পরিপন্থীভাবে পরিচালিত বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ, স্থানান্তর ও সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না।
উল্লেখ্য, এএলবি অ্যানিমেল শেল্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপান্বিতা হৃদি এই রিট আবেদন দায়ের করেন। আবেদনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জনপরিসর থেকে কমিউনিটি কুকুর অপসারণ ও স্থানান্তরের কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।
