ঢাকা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
Home » সর্বশেষ » ঢাকা শহরে ১১০ মে:ওয়াট লোডশেডিং করা হবে: সংসদে প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা শহরে ১১০ মে:ওয়াট লোডশেডিং করা হবে: সংসদে প্রতিমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার:

কৃষকেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেটা নিশ্চিত করা, লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং গ্রাম–শহরে বিদ্যুৎবৈষম্য কমাতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম এ কথা জানান।

বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অব্যবস্থাপনা এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবকে দায়ী করেন প্রতিমন্ত্রী। লোডশেডিংয়ে মানুষের কষ্টের কারণে সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, আজ যে রকম প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে বা যে কষ্ট স্বীকার করতে হচ্ছে, এটি আগামী সাত দিনের মধ্যে কমে যাবে।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এরপরও দেখা যাচ্ছে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবে কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং হচ্ছে। এই বিষয় সহনীয় মাত্রায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনাক্রমে রাজধানী ঢাকায় ১১০ মেগাওয়াট প্রাথমিকভাবে, পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘আমরা মনে করি, শহরের মানুষ আরামে থাকবে এবং গ্রামের মানুষ অর্থাৎ খেটে খাওয়া কৃষক কষ্টে থাকবে, এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। কারণ, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ সমাজ অর্থাৎ শহর এবং গ্রামের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকতে পারে না, সেই বৈষম্যমুক্ত করার জন্য আমরা শহরেও প্রয়োজনে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাতে করে কৃষকেরা তাঁদের সেচের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পেতে পারে।’

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্বীকার করতে কোনো দ্বিধা নেই, এই উত্তপ্ত গরমে অনেককেই বিদ্যুৎ সমস্যায় নাজেহাল হতে হয়েছে। এই সমস্যা এক দিনের নয়। এই পুঞ্জিভূত সমস্যার দায় কোনোভাবেই বর্তমান নির্বাচিত সরকার কিংবা কারও নয়। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অব্যবস্থাপনার দায় সবাইকে নিতে হচ্ছে।’

বর্তমানে উৎপাদন ক্ষমতা কাগজে কলমে অনেক বেশি থাকলেও বাস্তবতার সঙ্গে সেটির গড়মিল রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, গতকাল (বুধবার) বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট। বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন।

এ ক্ষেত্রে সরকার প্রথম থেকেই একটি নীতি নিয়েছিল উল্লেখ করে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, যেহেতু ফসল ওঠার মৌসুমে কোনোভাবেই কৃষকেরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন। ফসলের ক্ষেত্রে সেচের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল এবং বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন। সেটি নিশ্চিত করার জন্য তাঁরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

 

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে