ঢাকা
ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
Home » সর্বশেষ » ‘ত্রিদেশীয় সিরিজে সুন্দর সূচনার প্রত্যাশা’

‘ত্রিদেশীয় সিরিজে সুন্দর সূচনার প্রত্যাশা’

স্পোর্টস ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মরুভূমির তীব্র গরম ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে আজ থেকে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ও শক্তিশালী আফগানিস্তানকে নিয়ে আয়োজিত এই সিরিজে শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হচ্ছে টাইগাররা। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, এ পর্যন্ত ১৫টি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে বাংলাদেশ দল মাত্র একটিতে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছিল। অতীতের ত্রিদেশীয় সিরিজগুলোতে কেন জয় ও সাফল্যের হার এত কম? ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নের জবাবে টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস বলেন, “আমার কাছে মনে হয় নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই, মূল বিষয় হলো আমরা খুব কম ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলি। আমি অনেক দিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেললেও ব্যক্তিগতভাবে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার অভিজ্ঞতা বেশ কম। আমরা সাধারণত বড় টুর্নামেন্ট যেমন এশিয়া কাপ বা বিশ্বকাপ খেলি, কিন্তু দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ভিড়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়মিত খেলা হয় না। তবে স্বীকার করতেই হবে, ত্রিদেশীয় সিরিজে বাড়তি একটি চাপ কাজ করে। তিনটি দলের ওপরই সমানে ফাইনালের ওঠার সমীকরণ থাকে। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে এক ম্যাচ হারলেও পরবর্তীতে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকে, কিন্তু ত্রিদেশীয় সিরিজে হেরে গেলে রান রেট ও পয়েন্টের চরম চাপ চলে আসে। তবে আমাদের ছেলেরা এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো ক্রিকেট খেলছে। সাম্প্রতিক সিরিজে দল হিসেবে আমাদের ম্যাচুরিটি ও পারফরম্যান্স দুটিই ভালো। আশা করছি এখানে আমরা ইতিবাচক ক্রিকেট উপহার দেব।”

এই সিরিজের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের পূর্ণ মেয়াদের অধিনায়ক হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু করছেন লিটন কুমার দাস। অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে আগামী বছরের অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁর কাঁধে এই গুরুদায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে। এর আগেও ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে সফলভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। নেতৃত্ব দেওয়ার এই গুরুভার কতটা উপভোগ করেন—প্রশ্নটির জবাবে লিটন সংক্ষেপে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “আমি ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অধিনায়কত্ব উপভোগ করতাম।”

আবুধাবির ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে দলের ব্যাটারদের দায়িত্বশীলতা ও হাইস্কোরিং ম্যাচ নিয়ে লিটন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “ম্যাচে শুরুতে বা পরে যেভাবেই ব্যাটিং করা হোক না কেন, রান তোলার মূল দায়িত্ব ব্যাটারদেরই। প্রতিপক্ষকে বড় লক্ষ্য দিতে বা জিততে হলে ব্যাটারদের পুরো দায়িত্ব নিয়েই ক্রিজে ব্যাটিং চালিয়ে যেতে হবে।”

প্রথমে ব্যাটিং করলে বড় স্কোর গড়া গেলেও রান তাড়া করার সময় টাইগার ব্যাটারদের ঘনঘন খেই হারানোর পেছনের কারণও তুলে ধরেন লিটন। তিনি বলেন, “এটি খুবই ভালো প্রশ্ন। প্রথমে ব্যাট করার সময় চোখের সামনে নির্দিষ্ট কোনো টার্গেট থাকে না, কিন্তু পরে ব্যাট করতে নামলে যখন ৩০০ বা তারও বেশি রানের বড় লক্ষ্য দাঁড়ায়, তখন স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি আগ্রাসী শট খেলতে হয়। তাছাড়া আমরা অধিকাংশ সময় ৬ জন বিশেষজ্ঞ ব্যাটার নিয়ে একাদশ সাজিয়ে খেলি। সেখানে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা দ্রুত রান তুলে অবদান রাখতে না পারলে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে অনুশীলনে আমরা এসব ঘাটতি শুধরে নিয়ে এগোনের চেষ্টা করছি।”

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে