কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলের কাছে হেরে বিশ্বকাপে হৃদয় ভেঙেছিল জাপানের। এবার আবারও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হচ্ছে এশিয়ার দলটি। চলতি বছরের শেষে দুটি প্রীতি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)।
সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মুখোমুখি হওয়ার পর, পরবর্তী আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে সিঙ্গাপুর ও জাপানের বিরুদ্ধে খেলবে ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা আগামী ১৪ নভেম্বর জাপানের মুখোমুখি হবে এবং তার তিন দিন পর সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে খেলবে, যার দুটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে।
এই দুই ম্যাচ নিয়ে ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তি বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের এই প্রীতি ম্যাচগুলো আগামী বছরগুলোর জন্য ব্রাজিল জাতীয় দল গঠনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। জাপান ও সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হওয়া আমাদের দলের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নিজেদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করার সুযোগ করে দেবে, যা এই চক্রের শুরুর দিকে অত্যন্ত জরুরি।’
‘ডন’ কার্লো আরও বলেন, ‘আমরা দলের নিজস্ব পরিচয় শক্তিশালী করতে এবং বিকল্প বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো ভারসাম্যের সাথে এগিয়ে যাওয়া এবং সামনের বড় চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য দলটিকে প্রস্তুত করা।’
ব্রাজিল ও জাপানের এই ম্যাচটি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে। বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির শেষ মুহূর্তের গোলে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
জাপানি জাতীয় দলের ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাপানের কোচ হাতোমি মোরিয়াসু বলেন, ‘আমরা এই সুযোগটির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করতে চাই, যাতে প্রতিটি কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থান থেকে আরও উন্নতি করতে পারি এবং আগামী বছরের জানুয়ারিতে এএফসি এশিয়ান কাপে আমাদের সেরা পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা শুনেছি সিঙ্গাপুর এবং অন্যান্য এশিয়ান দেশের বহু মানুষ বিশ্বকাপে জাপানি জাতীয় দলকে সমর্থন করেছে। ফুটবল নিয়ে এতটা উৎসাহী একটি দেশে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে আমরা খুবই কৃতজ্ঞ।’
সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আগামী ১৩ নভেম্বর প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এই ইভেন্ট শুরু হবে, আর তার পরের দিনই অনুষ্ঠিত হবে জাপান ও ব্রাজিলের হাইভোল্টেজ ম্যাচটি।
