নবপ্রকাশ ডেস্ক:
আধুনিক জীবনের ডিজিটাল নির্ভরতা ও অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে আমাদের চোখের ওপর চাপ বহুগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চোখের অভ্যন্তরীণ যত্ন ও দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত সুষম ও ভিটামিনসমৃদ্ধ পানীয় দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। চোখের ছানি প্রতিরোধ, দৃষ্টিশক্তি প্রখর করা এবং রেটিনার সুস্থতায় প্রতিদিনের ডায়েটে রাখা যেতে পারে সহজলভ্য কয়েকটি স্বাস্থ্যকর জুস ও পানীয়।
গাজরের রস:
গাজর চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন-এ থাকে, যা চোখের রড ও কোন কোষগুলোকে সতেজ রাখে এবং রাতের অন্ধত্ব বা রাতকানা রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দৃষ্টিশক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
পালং শাকের রস:
পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিশেষ করে লুটেইন ও জিয়াজেনথিন উপস্থিত। নিয়মিত পালং শাকের জুস সেবন করলে ‘ম্যাকুলার ডিজেনারেশন’ বা বয়সজনিত কারণে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
সাইট্রাস ফলের রস:
কমলালেবু, কাঁচা লেবু বা মালটার মতো সাইট্রাস ফলের রসে ভরপুর ভিটামিন-সি থাকে। এই ভিটামিন সি চোখের সূক্ষ্ম রক্তনালীগুলোকে সুরক্ষিত ও শক্তিশালী করে এবং বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ছানি বা ক্যাটারেক্ট পড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়।
বিটরুটের রস:
বিটরুটে থাকা উচ্চমাত্রার নাইট্রেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান চোখের দৃষ্টি স্নায়ু বা ‘অপটিক নার্ভে’ নিরবচ্ছিন্ন রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়িয়ে দিতে বিশেষভাবে সহায়তা করে।
গ্রিন টি ও ডাবের পানি:
গ্রিন টি-তে থাকা বিশেষ ক্যাটেচিন উপাদান চোখের ড্রাই আই বা জ্বালাপোড়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। অন্যদিকে, ইলেকট্রোলাইটে ভরপুর তাজা ডাবের পানি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি চোখে পর্যাপ্ত পিচ্ছিলতা বজায় রাখে, যা চোখ শুকিয়ে যাওয়ার (Dry Eye Syndrome) সমস্যা সমাধান করে।
– এশিয়ানেটনিউজ
