ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
শেষ আপডেট ২ মিনিট পূর্বে
ঢাকা
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
Home » সর্বশেষ » সীমান্তে ‘পুশ ইন’ ও মানবাধিকারের সংকট: দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এক অশনি সংকেত

সীমান্তে ‘পুশ ইন’ ও মানবাধিকারের সংকট: দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এক অশনি সংকেত

মো. জহিরুল ইসলাম রাতুল: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সাম্প্রতিক সময়ে কথিত ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক মানুষকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ঘটনাগুলো নতুন করে মানবাধিকার, নাগরিকত্ব এবং রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, বিশেষ করে বাংলাভাষী ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর সদস্যদের কোনো ধরনের স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই সীমান্তে এনে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংস্থাটির অভিযোগ, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এসব মানুষকে সীমান্ত অতিক্রমে বাধ্য করছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) তাদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। ফলে বহু নারী, শিশু ও বৃদ্ধ দুই দেশের মাঝখানে ‘শূন্যরেখা’ নামে পরিচিত সীমান্তবর্তী এলাকায় মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এটি নিছক সীমান্ত ব্যবস্থাপনার কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি রাষ্ট্র, নাগরিকত্ব এবং মানবাধিকারের সম্পর্ককে নতুন করে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। কারণ, আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো আইনের শাসন। কোনো ব্যক্তি অবৈধ অভিবাসী, বিদেশি নাগরিক বা রাষ্ট্রহীন—যে পরিচয়েরই হোক না কেন, তার পরিচয় নির্ধারণের জন্য একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কোনো তদন্ত, শুনানি বা বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে জোর করে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে অন্য দেশে পাঠিয়ে দেওয়া শুধু মানবাধিকারের লঙ্ঘন নয়, আন্তর্জাতিক আইনকেও অগ্রাহ্য করার শামিল।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। সেই সময় থেকে সীমান্তে ‘পুশ ইন’-সংক্রান্ত অভিযোগ ও ঘটনাগুলোর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিজিবি, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুই দেশের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নতুন সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিশেষ করে গত এক বছরে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জেলায় একাধিকবার নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ দলবদ্ধ মানুষকে সীমান্তে এনে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, সীমান্ত পরিস্থিতি দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরু থেকে শিশুসহ দুই শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অন্তত ২১টি চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। যদিও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে, রাতের আঁধারে মানুষজনকে সীমান্তের দিকে নিয়ে আসা হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রম করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নওগাঁ, যশোর ও সিলেট সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেদের ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করেছেন, আবার কেউ কেউ দীর্ঘদিন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বসবাসকারী বাংলাভাষী শ্রমজীবী মানুষ বলে পরিচয় দিয়েছেন। এতে তাদের প্রকৃত জাতীয় পরিচয় নির্ধারণ আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারা একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যারা সীমান্তে এমন ঘটনা ঘটতে দেখেছেন। মানবাধিকার সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পরিবারগুলোকে মানবিক মর্যাদা বিবেচনা না করেই সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির পরিপন্থী। তার বক্তব্য শুধু একটি সংস্থার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নয়; বরং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিফলন।

এই সংকটের পেছনে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং নাগরিকত্ব বিষয়ক বিতর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ২০১৯ সালে আসামে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) প্রণয়নের পর প্রায় ১৯ লাখ মানুষের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়ে। তাদের অনেকেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভারতে বসবাস করলেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক দেখা দেয়। সমালোচকদের অভিযোগ ছিল, এসব উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্বের প্রশ্নে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা হালনাগাদ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটিও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ তাদের ভবিষ্যৎ নাগরিকত্বের অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। যদিও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানেই নাগরিকত্ব হারানো নয়, তবুও প্রশাসনিক ভুল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের কারণে অনেক নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হতে পারেন। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস বলছে, পরিচয়পত্র বা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতার শিকার হওয়া মানুষের বড় একটি অংশই দরিদ্র, প্রান্তিক এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য।

এই প্রেক্ষাপটে ‘পুশ ইন’ নীতির সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, এটি মানুষকে কার্যত রাষ্ট্রহীনতার দিকে ঠেলে দেয়। একজন ব্যক্তি যদি ভারতের কাছে ভারতীয় না হন এবং বাংলাদেশও তাকে নিজের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়, তাহলে তিনি কোথায় যাবেন? আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রহীনতা একটি গুরুতর মানবিক সংকট। রাষ্ট্রহীন মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, ভোটাধিকার এবং আইনি সুরক্ষাসহ প্রায় সব মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। ইউনাইটেড ন্যাশনস দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রহীনতার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে, কারণ এটি মানবাধিকারের অন্যতম বড় সংকট হিসেবে বিবেচিত।

এখানে ধর্মীয় পরিচয়ের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। এইচআরডব্লিউর বক্তব্য অনুযায়ী, যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে তাদের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। যদি সত্যিই ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো জনগোষ্ঠীকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে, তবে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী নীতিরও লঙ্ঘন। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের অধিকার ধর্ম, ভাষা বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে পারে না।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের জন্যও এটি একটি বড় কূটনৈতিক ও মানবিক চ্যালেঞ্জ। সীমান্তে ঠেলে দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ যদি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের নাগরিক না হন, তাহলে তাদের গ্রহণ করার প্রশ্নই আসে না। আবার যদি কেউ বাংলাদেশি নাগরিক হন, তবে তাদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য একটি স্বচ্ছ ও যৌথ প্রক্রিয়া থাকা জরুরি। কেবল সীমান্তে ঠেকিয়ে দেওয়া বা ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এ জন্য দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনা, তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ যাচাই ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষের ওপরও এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়ছে। সীমান্তজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, নদী ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতা রয়েছে। সীমান্তে মানবাধিকার সংকট সেই ইতিবাচক সম্পর্ককে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল করে তুলতে পারে।

এ সংকটের সমাধান কী? প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তিকে বহিষ্কারের আগে তার নাগরিকত্ব ও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সীমান্তে আটক নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য অবিলম্বে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি যৌথ যাচাই ও প্রত্যাবাসন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যাতে কোনো ব্যক্তি আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া সীমান্তে আটকে না থাকেন। চতুর্থত, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতা গ্রহণ করা যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নামে মানবিক মূল্যবোধ বিসর্জন দেওয়া চলবে না। সীমান্ত রক্ষা করা যেমন রাষ্ট্রের অধিকার, তেমনি প্রতিটি মানুষের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। নাগরিকত্বের প্রশ্ন জটিল হতে পারে, কিন্তু তার সমাধান কখনোই কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ক্ষুধার্ত শিশুদের রাত কাটানোর মধ্য দিয়ে হতে পারে না।

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে উদ্বাস্তু, অভিবাসন ও পরিচয়ের সংকট নতুন নয়। কিন্তু অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার পরিবর্তে যদি একই ধরনের মানবিক বিপর্যয় পুনরাবৃত্তি হয়, তবে তা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য নয়, সমগ্র অঞ্চলের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য একটি অশনি সংকেত হয়ে থাকবে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সীমান্তে ‘পুশ ইন’ বৃদ্ধির অভিযোগ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ দেখিয়ে দিয়েছে যে, নাগরিকত্ব ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার প্রশ্নে আঞ্চলিক সহযোগিতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি। রাজনৈতিক পরিবর্তন, নির্বাচন বা অভ্যন্তরীণ নীতিগত বিতর্কের বোঝা কোনোভাবেই নিরীহ মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া যায় না।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারে কর্মরত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যক্তিবর্গ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ সকল কূটনৈতিক বিষয়গুলো দেখছেন পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে।

আজ প্রয়োজন দোষারোপের রাজনীতি নয়; প্রয়োজন মানবিকতা, আইনের শাসন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি টেকসই সমাধান। কারণ সীমান্তের দুই পাশে যে মানুষগুলো দাঁড়িয়ে আছে, তারা কোনো পরিসংখ্যান নয়—তারা রক্তমাংসের মানুষ, যাদের জীবনের মূল্য রাষ্ট্রের যেকোনো নীতির চেয়ে কম হতে পারে না।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে