জীবনযাপন ডেস্ক
খাদ্য ও পুষ্টি শব্দ দুটি কাছাকাছি হলেও অর্থের দিক থেকে এক নয়। আগে এ বিষয় নিয়ে খুব বেশি ভাবা না হলেও বর্তমানে সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবনযাপনের জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টি সম্পর্কে জানা জরুরি।
দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও ভুল খাদ্যাভ্যাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে অনেকেই শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন টিপস অনুসরণ করছেন, যা সবসময় উপকারী নাও হতে পারে।
বেঁচে থাকার জন্য আমরা খাবার গ্রহণ করি, কিন্তু প্রতিটি খাবারেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকে না। পুষ্টি হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে খাবার হজম, বিপাক ও শোষিত হয়ে শরীরের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, শক্তি উৎপাদন এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
খাদ্যের প্রধান উপাদান হলো—শর্করা, আমিষ, তেল বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ, আঁশ ও পানি। প্রতিটি উপাদান শরীরে আলাদা ভূমিকা পালন করে।
এর মধ্যে শর্করা শরীরকে শক্তি জোগায় এবং দৈনন্দিন কাজ করতে সাহায্য করে। চাল, গম, ভুট্টা, বার্লি, মিষ্টি আলু, কচু, চিনি ও মধুতে শর্করা বেশি থাকে। সাধারণভাবে মোট ক্যালরির ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শর্করাজাতীয় খাবার থেকে আসতে পারে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় শর্করাজাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ করেন।
