ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
ঢাকা
ঢাকা, রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৩৮ সেকেন্ড পূর্বে
Home » সর্বশেষ » প্রবাসে কর্মসংস্থান: ৭ মাসে ৪.৩৪ লাখ কর্মী

প্রবাসে কর্মসংস্থান: ৭ মাসে ৪.৩৪ লাখ কর্মী

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

সরকার গঠনের পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো বৈশ্বিক প্রতিকূলতার পরও বিগত ৭ মাসে প্রায় ৪ লাখ ৩৪ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে অদক্ষ কর্মী না পাঠায়ে বিদেশগামী প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষ হয়ে বিদেশে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ্যে লাগেজ পরিবহনের জন্য ট্রলি সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রবাসীকল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী সরেজমিনে বিদেশগামী প্রবাসীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা, দাবি-দাওয়া ও বিমানবন্দরে ভোগান্তির বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী স্পষ্ট করে বলেন, “সামনের দিনগুলোতে মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব শ্রমবাজারে আরও ইতিবাচক ফলাফল দেখা যাবে। তবে কর্মীদের অবশ্যই দক্ষতা অর্জন করে বিদেশে যেতে হবে। শুধুমাত্র সংখ্যা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে লাখ লাখ অদক্ষ কর্মী পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতি বা প্রবাসীদের নিজেদের কোনো প্রকৃত লাভ হবে না।”

শাহ আমানত বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের স্বাস্থ্যসেবার সুব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “প্রবাসী কর্মীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এখানে দ্রুত একটি আধুনিক ইমার্জেন্সি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের চিকিৎসাকেন্দ্রের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা প্রদানে সরকার সম্পূর্ণ সুসংগঠিত।”

ফ্লাইট বিলম্ব ও যাত্রী ভোগান্তি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সময়সূচির বিপর্যয় কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত ফ্লাইট বিলম্বের কারণে প্রবাসী যাত্রীদের চরম দূর্যোগে পড়তে হয়। বন্দরনগরীর কেন্দ্রস্থল থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর কিছুটা দূরে অবস্থিত হওয়ায় যাত্রীদের থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতের কষ্ট আরও বাড়ে। এই জটিলতা দূরীকরণে বিমানবন্দরের নিকটবর্তী স্থানে একটি সুসজ্জিত রেস্টহাউস (বিশ্রামাগার) নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে প্রবাসীরা সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করতে পারেন।

পরিদর্শন অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের স্বার্থ ও আইনি সুরক্ষা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ প্রস্তাব উত্থাপন করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। মন্ত্রী প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে প্রবাসীদের দ্রুত আইনি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বস্ত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সরেজমিন পরিদর্শনকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং বিমানবন্দর পরিচালনা পর্ষদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে