ঢাকা
ঢাকা, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
ঢাকা
ঢাকা, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
Home » সর্বশেষ » টানা বাইরে থাকা সত্ত্বেও কেন কোনো প্রশ্ন ওঠেনি শ্রেয়ার জীবনে?

টানা বাইরে থাকা সত্ত্বেও কেন কোনো প্রশ্ন ওঠেনি শ্রেয়ার জীবনে?

বিনোদন:

সংগীতের ব্যস্ততার পাশাপাশি ঘরকন্না সামলানো—দুই বিপরীতমুখী দিককে যেভাবে ভারসাম্য এনেছেন, তা নিয়ে আবারও কথা বললেন ভারতীয় সুরের জাদুঘর শ্রেয়া ঘোষাল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে স্বামী শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায়ের সাথে তাঁর পারস্পরিক বোঝাপড়া, গৃহস্থালি কাজের ভাগাভাগি ও আস্থার সমীকরণ নিয়ে বেশ খোলামেলা আলোচনা করেন এই গায়িকা। শিলাদিত্যকে পাশে পেয়ে নিজের জীবন কতটা সহজ হয়েছে, তা-ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি।

একটি অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় শ্রেয়া জানান, সংসারের দৈনন্দিন কাজগুলোকে শিলাদিত্য কখনো ‘বাড়তি দায়িত্ব’ মনে করেন না। নিজের ব্যবহৃত বাসন ধোয়া থেকে শুরু করে রান্নাঘর গুছিয়ে রাখা—সবকিছুই নিজ দায়িত্বে সারেন তিনি। শ্রেয়া হেসে জানান, তিনি নিজে এগুলো করতে গেলে বরং শিলাদিত্য খানিকটা বিরক্তই হন!

দুজনেরই নিজস্ব পেশাগত ব্যস্ততা রয়েছে। তাই দিনশেষে ঘরের কাজের ভারসাম্য রাখাটা তাঁদের স্বভাবজাত অভ্যাস। একে অপরকে ঘরে থাকার জন্য অনাবশ্যক কোনো চাপ দেন না তাঁরা। সংগীতাঙ্গনের টানে কাজের প্রয়োজনে শ্রেয়াকে কখনো মাসের পর মাস বাইরে কাটাতে হলেও তা নিয়ে কখনো প্রশ্ন তোলেননি শিলাদিত্য। সম্পর্কের প্রথম দিন থেকেই স্বামীর কাছ থেকে এমন নিরবচ্ছিন্ন আস্থা ও নিরাপত্তার অনুভূতি পেয়ে আসছেন বলে জানান এই শিল্পী।

দাম্পত্যে কোনো স্থান নেই অহংবোধের। চিন্তাভাবনার দারুণ মিল থাকায় পরিবারের যেকোনো বড় সিদ্ধান্তেও তাঁদের সমান মতামত থাকে। শ্রেয়া জানান, সময়ের সাথে সাথে তাঁদের জীবনযাপন এখন আগের চেয়ে অনেক নীরব ও ধীরগতির হয়ে এসেছে, যেখানে তাঁদের সন্তানই এখন সব ভাবনার কেন্দ্রে।

শ্রেয়া ও শিলাদিত্যর সম্পর্কের গল্পটা কিন্তু নতুন নয়; শুরু হয়েছিল সেই স্কুলবেলার বন্ধুত্ব থেকে। পরবর্তীতে শ্রেয়া যখন সংগীতজগতে নিজের অবস্থান শক্ত করছিলেন, অন্যদিকে শিলাদিত্য মনোযোগ দিচ্ছিলেন প্রযুক্তি প্রাঙ্গণে, তখনই সেই পুরনো বন্ধুত্ব রূপ নেয় গভীর ভালোবাসায়। দীর্ঘ এক দশক নিজেদের এই সম্পর্কের খবর অন্তরালে রাখার পর ২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের পিড়িতে বসেন তাঁরা। ২০২১ সালে তাঁদের ঘরে আলো ছড়িয়ে আসে পুত্রসন্তান দেবযান।

পেশাগত ক্যারিয়ার ও মাতৃত্ব—দুই দিক সমান তালে সামলে চলা শ্রেয়া ঘোষাল মনে করেন, প্রতিটি পদক্ষেপে এমন একজন সমঝদার ও দায়িত্বশীল জীবনসঙ্গী পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম বড় আশীর্বাদ।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে