মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ব্রেকিং
ক্রিকেট

খেলা ও রাজনীতি একসঙ্গে যাবে না:আমিনুল

রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১ মিনিটে পড়ুন ১২ ভিউ

নবপ্রকাশ রিপোর্ট:

আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে গত মঙ্গলবার। এরপর পাঁচ দিন ধরে তিনি আছেন বাংলাদেশেই। তবে একটি লিখিত বিবৃতি ছাড়া এ বিষয়ে আর কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি আমিনুল। আজ  একটি দৈনিকে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে গত ১০ মাস বিসিবি সভাপতি থাকাকালীন সময়ে তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা–সমালোচনার বিষয়ে বলেছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

 

গত বছরের মে মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি পদ থেকে ফারুক আহমেদকে সরিয়ে আমিনুল ইসলামকে অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি নিযুক্ত করা হয়। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ফারুক আহমেদের পরিচালক মনোনয়ন বাতিল করার পর আমিনুল সেই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

 

এরপর গত বছরের অক্টোবরে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে আমিনুল ঢাকা বিভাগের পরিচালক হিসেবে জয়ী হয়ে আবার সভাপতির দায়িত্ব পান। তবে সেই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরে দাঁড়ায় একটি পক্ষ। তখনই আঁচ করা যাচ্ছিল, রাজনৈতিক সরকার এলে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে আমিনুলের বোর্ডকে। তবে তিনি বলেন, বোর্ড ভেঙে দেওয়া হতে পারে, এমন কিছু তখনো ভাবেননি।

 

সাক্ষাৎকারে আমিনুল বলেন, ‘আমি অনেক দিন দেশের বাইরে ছিলাম। ২০টা সহযোগী সদস্যদেশের সঙ্গে কাজ করেছি, আফগানিস্তানের সঙ্গেও কাজ করেছি। সরকারের একটা চর্চা দেখেছি, একটা বোঝাপড়াও ছিল, যেটা সাধারণত ঘটে থাকে বিশ্বে। আরেকটা জিনিস আমাকে সব সময় আত্মবিশ্বাস দিত, আমার কাছে মনে হচ্ছিল দেশটা বদলে গেছে।’

 

কীভাবে বদলে গেছে, ওই ব্যাখ্যা দিয়ে সাবেক এই বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘বদলে গেছে মানে খেলা ও রাজনীতি একসঙ্গে যাবে না। আমরা কিন্তু খুব জোর গলায় কয়েকটা কথা বলেছি যে খেলোয়াড়েরা রাজনীতি করতে পারবে না। সাকিব, মাশরাফি, দুর্জয়—যাঁরা রাজনৈতিকভাবে জড়িয়ে গিয়েছিল, আমরা বলেছি যে খেলোয়াড় রাজনৈতিক হতে পারবে না। কিন্তু রাজনীতিবিদ কীভাবে তাহলে খেলায় আসে? মানে রাজনীতিবিদদের কাজ তো রাজনীতি করা।’

বিসিবি সভাপতি হিসেবে যেদিন আমিনুলকে সরিয়ে দেওয়া হয়, সেদিন দুপুরেও তিনি পূর্বাচলে স্টেডিয়াম পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন। বিকেলে বোর্ডে এসে শুনতে পান, তাঁর কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।পত্রিকাটির  কাছে এর পরের পরিস্থিতিও বর্ণনা করেছেন আমিনুল।

 

তাঁর দাবি, ‘মানসম্মান’ নিয়ে সবকিছু ফেলে বিসিবি ছেড়েছিলেন একরকম বাধ্য হয়ে, ‘পূর্বাচল থেকে আসার পরে শুনলাম যে আমাদের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তখন হঠাৎ করে মনে হলো, আমাদের অফিসটা একটা রাজনৈতিক অফিস হয়ে গেছে। শত শত লোক আসা–যাওয়া শুরু করল। একপর্যায়ে পাইলট আমাকে অনুরোধ করে বলল, “ভাই, চলেন চলে যাই।” তখন (নাজমূল আবেদীন) ফাহিম ভাই, আমি আর পাইলট বোর্ডে ছিলাম। আমরা সেদিন চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম।’

 

নিজেকে এখনো বিসিবির বৈধ সভাপতি মনে করেন আমিনুল, গত বছর নির্বাচনে যা হয়েছে, তা বিসিবির গঠনতন্ত্র মেনেই হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। যাঁদের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ও বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করেছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

সূত্র: প্রথম আলো

asifjafri04@gmail.com

সম্পর্কিত খবর

খেলাধুলা

ঢাকা ও সিলেট অঞ্চলের ৩৫৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কে সতর্ক করলো মাউশি

  নবপ্রকাশ রিপোর্টঃ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনে ব্যর্থ ঢাকা ও সিলেট অঞ্চলের ৩৫৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সতর্কবার্তা দিয়েছে মাধ্যমিক ও…

April 13, 2026 ১ মিনিটে পড়ুন
খেলাধুলা

এমবাপ্পে একেবারেই ফিট

স্পোর্টস ডেস্কঃ কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকেরা। কারণ তার রক্তাক্ত ভ্রু, ব্যথায় কুঁচকে যাওয়া মুখ…

April 13, 2026 ১ মিনিটে পড়ুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *