ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ১ মিনিট আগে
ঢাকা
ঢাকা, শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
শেষ আপডেট ৫ মিনিট পূর্বে
Home » সর্বশেষ » ভারতে শুল্কমুক্ত রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

ভারতে শুল্কমুক্ত রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

নবপ্রকাশ ডেস্ক:

ভারতের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে স্থলবন্দরভিত্তিক বিধিনিষেধ ও নানা অশুল্ক বাধা (Non-tariff barriers) অপসারণের বিষয়টি নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে জোরালোভাবে উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ। একই সাথে ভারতীয় বাজারে বাংলাদেশী পাটপণ্য ও পেট ফিল্মের ওপর আরোপিত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক প্রত্যাহার এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পরও সাফটা (SAFTA) চুক্তির আওতায় বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যবিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের (JWG) ১৬তম বৈঠকে এসব দাবি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এই নীতি নির্ধারণী বৈঠকে অংশ নেয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয় যে, দেশীয় রপ্তানিকারকদের স্বার্থ রক্ষায় ভারতীয় স্থলবন্দরগুলোতে বিদ্যমান বিধিনিষেধগুলো দ্রুত পর্যালোচনা ও প্রত্যাহার করা জরুরি। পাশাপাশি বিআইএস (Bureau of Indian Standards) সনদ পাওয়ার জটিলতা কমানো এবং পণ্যের মান নির্ধারণে পারস্পরিক স্বীকৃতি ও সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার ওপর তাগিদ দেওয়া হয়। আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রসারে ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে সরাসরি পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

সীমান্ত বাণিজ্য সহজীকরণে ভারতের দিকে অবস্থিত ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশনগুলোর অবকাঠামোগত মানোন্নয়ন, পার্কিং ইয়ার্ড, ওয়্যারহাউস এবং দ্রুত কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষার সুবিধা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে তুলা ও সুতা রপ্তানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু স্থলবন্দরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সাথে বহুমাত্রিক পরিবহন ও আঞ্চলিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া আখাউড়া-আগরতলা কানেক্টিভিটি, দুই দেশের রেলে পণ্য পরিবহন বৃদ্ধি, সীমান্ত হাটের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ-ভারত সিইওস ফোরাম’ সক্রিয় করার বিষয়েও উভয় পক্ষ আলোচনা করেছে। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং পণ্য খালাসে সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করছে বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

নবপ্রকাশ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য:

সর্বশেষ খবর

আরো দেখতে