নবপ্রকাশ ডেস্ক:
মোঃ আকরাম হোসেন গাজীপুর প্রতিনিধি
উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুনদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও গবেষনার পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে সরকার পরিকল্পনা গ্রহন করেছে । পাশাপাশি বিশ্ব বিদ্যালয়গুলোতে কাজ করতে বাজেট বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলন । অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)-এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি’ (আইইউটি)-র ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা জানান ।
আন্তর্জাতিক বাজারে এ আই নিয়ে কাজ করতেও সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাগ্রহন করা হচ্ছে বলেও জানান, শিক্ষা মন্ত্রী ।
আইইউটি-র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে আইইউটি-র উপ-উপাচার্য ড. হোসেন আরাবি নূর-ও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের সর্বদা কৌতূহলী থাকতে, উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে এবং সততা ও নিষ্ঠার সাথে বাংলাদেশ ও বৃহত্তর মুসলিম উম্মাহর সেবা করার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ উপস্থিত ছিলেন ।
তাঁরা গ্র্যাজুয়েটদের সততা বজায় রাখতে, আজীবন শিক্ষার মানসিকতা ধারণ করতে এবং অর্জিত জ্ঞানকে সমাজের কল্যাণে কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ বলেন, আইইউটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত একটি শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্রে পরিণত হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রতিষ্ঠানটি মুসলিম উম্মাহ ও বৃহত্তর বিশ্বের অগ্রগতির লক্ষ্যে প্রভাবশালী গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি গ্র্যাজুয়েটদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, তাদের এই ডিগ্রি সমাজের প্রতি সততা, পেশাদারিত্ব ও সহমর্মিতার সাথে সেবা করার একটি দায়িত্বও বটে।
ওআইসি-র মহাসচিব ও আইইউটি-র চ্যান্সেলর ইসমাইল ওল্ড শেখ আহমেদ তাঁর বার্তায় নৈতিক নেতৃত্ব এবং অর্জিত জ্ঞানকে ব্যবহারিক সমাধানে রূপান্তর করার সক্ষমতা সম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট গড়ে তোলার জন্য আইইউটি-র প্রশংসা করেন এবং অব্যাহত সমর্থনের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
বিশিষ্ট অতিথি, কূটনীতিক, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ওআইসি-র ১৬টি সদস্য দেশের ৬৫৯ জন গ্র্যাজুয়েট তাদের ডিগ্রি গ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ১৫৫ জন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৪৯ জন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৪৭ জন মেকানিক্যাল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১২৬ জন সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ৫৭ জন বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট এবং ২৫ জন টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
অসাধারণ একাডেমিক সাফল্যের জন্য সুমাইয়া আহমেদ রানীকে ‘ওআইসি গোল্ড মেডেল’ এবং আশফাক সিরাজ শুভ, মুহাম্মদ সাফায়াত জামিল, খালিদ হাসান আদর, আদিবা জাহীন, ফারহান লবিব ও তাসফিয়া মাহমুদকে ‘আইইউটি গোল্ড মেডেল’ প্রদান করা হয়।
