এনসিপি ছাড়ার কারণ জানিয়ে সর্দার আমিরুল ইসলাম লিখেন, ‘গত বছরের জুন মাসে এনসিপির প্রাথমিক লক্ষ্য, আদর্শ ও নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে মধ্যপন্থী রাজনীতির নয়া শক্তি হিসাবে এনসিপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু নির্বাচনকালীন সময়ে ডানপন্থী জোটে যোগদানের সিদ্ধান্ত আমার উৎসাহ উদ্দীপনাকে ম্রিয়মাণ করে। তবে এই সিদ্ধান্তকে রণকৌশল বিবেচনা করে জোট থেকে দূরত্ব বজায় রেখে দলের পক্ষে কার্যক্রম অব্যাহত রাখি। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সময়েও দলে ডানপন্থার বাড়ন্ত লক্ষ্য করি। ফলশ্রুতিতে শেষ দুই মাস রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় থাকি এবং দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা বরাবর পদত্যাগপত্র পেশ করি। তিনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করে আমাকে পুনর্বিবেচনা করতে বলেন।’
তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এনসিপির যে প্রতিশ্রুতিতে আকৃষ্ট হয়ে আমি যুক্ত হয়েছিলাম বর্তমানে দলের কার্যক্রমে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের আশা ভঙ্গের এই পরিস্থিতিতে এবং দলের রণনীতি ও রণকৌশলের সঙ্গে মতদ্বৈততা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় আমার পক্ষে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা আর সম্ভব হচ্ছে না। এনসিপির প্রতি শুভকামনা রইলো। খোদা হাফেজ।’
